রোববার (২ আগস্ট) দুপুরে রাজধানীর বঙ্গবাজার ফায়ার সার্ভিসের সদর দফতরে আয়োজিত ‘অগ্নিনিরাপত্তা বিষয়ক প্রশিক্ষণ’ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা জানান।
সাধারণ মানুষের মধ্যে ভূমিকম্প-সংক্রান্ত সচেতনতা বাড়াতে গণমাধ্যম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে বলে জানান ফায়ার সার্ভিসের ডিজি।
তিনি বলেন, ‘ভূমিকম্পের সময় কী করতে হবে, কোথায় আশ্রয় নিতে হবে, লিফট ব্যবহার না করা, জরুরি ওষুধ, টর্চলাইট ও বাঁশিসহ একটি জরুরি কিট প্রস্তুত রাখার মতো বিষয়গুলো নিয়মিত প্রচার করা প্রয়োজন।’
ডিজি আরও বলেন, ‘ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্ত ভবনে প্রবেশের আগে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। কারণ ধসে পড়া ভবনের ধরণ অনুযায়ী উদ্ধার কার্যক্রমও ভিন্ন হয়ে থাকে। তাই রিপোর্টিংয়ের সময় নিজেদের নিরাপত্তাকেও সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে।’
এ ধরনের পরিস্থিতি মোকাবিলায় ফায়ার সার্ভিস দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের প্রায় ১০০টি স্টেশনকে নির্দিষ্ট পরিকল্পনার আওতায় এনেছে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘বড় ধরনের ভূমিকম্প হলে এসব স্টেশন থেকে জনবল ও সরঞ্জাম দ্রুত ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় পাঠানো হবে। এ পরিকল্পনার অংশ হিসেবে একটি ড্রাই এক্সারসাইজও সম্পন্ন করা হয়েছে। প্রয়োজনে হেলিকপ্টারের মাধ্যমে ছোট আকারের উদ্ধার সরঞ্জাম ও ফায়ার ফাইটার পরিবহনের বিষয়েও কাজ চলছে।’
প্রশিক্ষণে ফায়ার সার্ভিসের উপসহকারী পরিচালক মো. শাহজাহান শিকদার, প্রশিক্ষক হিসেবে ছিলেন পরিচালক (প্রশিক্ষণ, পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) লে. কর্নেল এম এ আজাদ আনোয়ার, ঢাকা বিভাগের উপপরিচালক ছালেহ উদ্দিন, ওয়ারহাউজের ইন্সপেক্টর মো. আনোয়ারুল ইসলাম, স্টেশন অফিসার মো. তালহা বিন জসিম, স্টেশন অফিসার মো. আশেক আল মারুফ।
এসময় বাংলাদেশ ক্রাইম রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (ক্র্যাব) সাধারণ সম্পাদক এম এম বাদশাহ্, প্রশিক্ষণ সম্পাদক শাহরিয়ার জামান দিপসহ অন্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
এস