বুধবার (১২ জুন) কমলাপুর রেল স্টেশন থেকে এসব তথ্য জানা গেছে। সকালে ঢাকার কমলাপুর স্টেশন থেকে সিলেটগামী পারাবাত এক্সপ্রেসের ছাড়ার কথা ছিল ভোর ৬টা ৩০ মিনিটে। সেই ট্রেন ২ ঘণ্টা বিলম্বে ছেড়েছে সকাল ৮টা ৩৩ মিনিটে। সকাল ৭টা ১৫ মিনিটে ছেড়ে যাওয়ার কথা কিশোরগঞ্জের এগারো সিন্ধু প্রভাতীর। ট্রেনটি ৯টা ২৫ মিনিটে স্টেশন ছাড়ে। এ ছাড়া ৮টা ১৫ মিনিটের মোহনগঞ্জগামী মহুয়া এক্সপ্রেস স্টেশন ছেড়েছে বেলা ১১টার কিছু পর।
ঈদ উপলক্ষে পরিবার নিয়ে স্বাচ্ছন্দ্যে বাড়ি যেতে কিশোরগঞ্জগামী এগারো সিন্ধু প্রভাতীর টিকিট কেটেছিলেন রফিকুল ইসলাম। ছেলে-মেয়ে ও মাকে নিয়ে কমলাপুর স্টেশনে যান ট্রেন ছাড়ার নির্দিষ্ট সময় আগেই। তবে দুই ঘণ্টা পার হলেও ট্রেন কমলাপুর ছাড়েনি।
রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘ট্রেনের জন্য যদি অপেক্ষা করতেই হয়। তাহলে আর স্বাচ্ছন্দ্যে বাড়ি যাওয়া হলো কোথায়? আগে ট্রেনের টিকিট কেটেই কী লাভ হলো? সেই দুর্ভোগই পোহাতে হচ্ছে। গরমে ছেলে-মেয়ে আর মা কষ্ট পাচ্ছেন।’
মোহনগঞ্জগামী সালমা আক্তারও জানালেন ট্রেনযাত্রার ভোগান্তির কথা। তিনি বলেন, ‘স্টেশনে খুব একটা ভিড় নেই। ঈদের প্রথম ট্রেন। এরপরও কেন এমন শিডিউল বিপর্যয়।’ ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি বলেন, ‘এর চেয়ে বাসে যাওয়াই ভালো ছিল।
তবে কমলাপুরের স্টেশন মাস্টারের দাবি, অধিকাংশ ট্রেন সময় অনুযায়ী ছেড়েছে। স্টেশন মাস্টার মোহাম্মদ মাসুদ সারওয়ার বলেন, ঈদের এ সময়টায় একঘণ্টা বা তারও বেশি দেরি স্বাভাবিক হিসেবেই দেখতে হবে। তবে আগামীকাল (বৃহস্পতিবার) থেকে যেন ট্রেন সময়মতো ছেড়ে যায় সে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
এমএইচ





