হাড় কাপানো শীতের কবলে তিস্তা নদী বিধৌত নীলফামারীর ডিমলা উপজেলা।অবিরত ঝরছে ঘন কুয়াশা। দিনে সূর্য দেখা গেলেও উত্তাপ নেই কাঙ্ক্ষিত মাত্রায়। এতে জীবনমান বিপর্যয়ের মুখে গণমানুষের।
আবহাওয়া অফিস সূত্রমতে, জেলায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ৯ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। সেটি রেকর্ড করেছে ডিমলা আবহাওয়া অফিস।
জেলার ডিমলা আবহাওয়া অফিস সূত্র জানান, তিস্তা নদীর অববাহিকায় ডিমলা উপজেলায় মঙ্গলবার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৯ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এটিই দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা।
জেলার সৈয়দপুর বিমানবন্দর আবহাওয়া অফিস সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করেছে ১০ দশমিক ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। সেখানে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ২৩ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
তিস্তাপাড়ের পুর্বছাতনাই ইউনিয়নের ঝাড়শিঙ্গেশ্বর এলাকার হারুন মাঝি বলেন, কনকনে শীত পড়ছে। ওই এলাকার টেপাখড়িবাড়ি ইউনিয়নের কিছামতের চরের বাসিন্দা সহিদুল জানান, শীতের তীব্রতায় আগুন জ্বালাতে হচ্ছে। এলাকার মানুষ ক্ষেত-খামারে কাজ করতে পারছে না।
রিকশা চালক রমজান আলী বলেন, কুয়াশার কারণে সন্ধ্যার পর শহরের রাস্তায় রিকশা চালানো কষ্টকর। এতে তার রোজগার কমেছে।
জেলা সদরের টুপামারী ইউনিয়নের কিসামত দোগাছী গ্রামের কৃষক সাদ্দাম আলী বলেন, শীতে সকাল ১০টার আগে জমিতে কাজে যাওয়া কষ্টকর হয়ে পড়েছে। স্বাভাবিক কাজে ব্যাঘাত ঘটছে।
ওই গ্রামের কৃষি শ্রমিক আব্দুল মালেক বলেন, কনকনে শীতে কাজ কমে গেছে। যেটুকু মিলছে, তাতে মজুরি কম। শীত বস্ত্রের অভাবে তিনি দুই শিশু সন্তান নিয়ে দুর্ভোগে আছেন।
শীতের কারণে লোক সমাগম কমেছে জেলা শহরে। ফলে মন্দাভাব ব্যবসা বাণিজ্যে। জেলা শহরের ব্যবসায়ী মিজানুর রহমান বলেন, লোক সমাগম কমার কারণে দোকানে বিক্রি কমেছে।
এমএম





