বুধবার (১৫ অক্টোবর) সকাল থেকে চলমান অবস্থান কর্মসূচির মধ্যেই শিক্ষকরা অনির্দিষ্টকালের জন্য লাগাতার কর্মবিরতির ঘোষণা দেন।

তাদের প্রধান দাবিগুলো হলো-মূল বেতনের ওপর ২০ শতাংশ হারে বাড়িভাতা প্রদান, চিকিৎসা ভাতা ১ হাজার ৫০০ টাকায় উন্নীত করা এবং কর্মচারীদের উৎসব ভাতা ৭৫ শতাংশে বৃদ্ধি করা। শিক্ষকরা অভিযোগ করেছেন, এসব দাবির বিষয়ে এখনো কোনো প্রজ্ঞাপন জারি না করায় তারা ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।

এর আগে মঙ্গলবার (১৪ অক্টোবর) ‘মার্চ টু সচিবালয়’ কর্মসূচি পালন করতে গেলে হাইকোর্ট মোড়ে পুলিশের ব্যারিকেডে আটকে পড়েন আন্দোলনরত শিক্ষকরা। সেখান থেকে দেওয়া আল্টিমেটামে তারা জানান, বুধবার বেলা ১১টার মধ্যে দাবি পূরণ না হলে শাহবাগে অবস্থান কর্মসূচি পালন করা হবে। এছাড়া, দাবি না মানলে পরবর্তী ধাপে আমরণ অনশন শুরু করারও ঘোষণা দেন তারা।

উল্লেখ্য, গত ৩০ সেপ্টেম্বর সরকার এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের বাড়িভাতা ৫০০ টাকা বাড়ানোর ঘোষণা দেয়, যা ৫ অক্টোবর প্রকাশিত হয়। তবে শিক্ষকরা তা প্রত্যাখ্যান করে নতুন আন্দোলনের ডাক দেন। পরবর্তীতে শিক্ষা মন্ত্রণালয় অর্থ বিভাগে একটি প্রস্তাব পাঠায়, যেখানে বাড়িভাতা দুই থেকে তিন হাজার টাকায় উন্নীত করার সুপারিশ করা হয়।

বর্তমানে এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরা জাতীয় বেতন স্কেল অনুযায়ী বেতন পান। তাদের মাসিক চিকিৎসা ভাতা ৫০০ টাকা এবং বাড়িভাতা ১ হাজার টাকার সঙ্গে সম্প্রতি আরও ৫০০ টাকা বৃদ্ধি করা হয়েছে। আগে তারা বছরে দুটি উৎসব ভাতা মূল বেতনের ২৫ শতাংশ হারে পেতেন, যা গত মে মাসে বাড়িয়ে ৫০ শতাংশ করা হয়েছে।

এনএইচ