নির্বাচনের পর সরকারপ্রধানের এ সফর ঘিরে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে ব্যাপক প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে। সফরে সুন্দরবনের পর্যটন সম্ভাবনা, মোংলা বন্দরের বাণিজ্য সম্প্রসারণ এবং অর্থনৈতিক অঞ্চল ঘিরে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগের সুযোগ সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ করবেন প্রধানমন্ত্রী।

সফরসূচি অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার সকালে হেলিকপ্টারে ঢাকা থেকে রওনা হয়ে সুন্দরবন ও হিরণ পয়েন্ট পর্যবেক্ষণ করবেন প্রধানমন্ত্রী। এরপর খুলনার দাকোপ উপজেলার নলিয়ান মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে অবতরণ করবেন তিনি। সেখান থেকে নৌপথে পৌঁছাবেন মোংলা নৌঘাঁটিতে।

মধ্যাহ্নবিরতির পর বিকেলে মোংলা বন্দরের জেটি ও বেজার প্রস্তাবিত অর্থনৈতিক অঞ্চল পরিদর্শন করবেন সরকারপ্রধান।

প্রধানমন্ত্রীর সফরে মোংলা বন্দরের বাণিজ্যিক কার্যক্রম, অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং প্রস্তাবিত অর্থনৈতিক অঞ্চল ঘিরে বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান সম্প্রসারণের সম্ভাবনা গুরুত্ব পাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

সুন্দরবনের প্রাকৃতিক সম্পদ ও পর্যটন সম্ভাবনার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের গুরুত্বপূর্ণ প্রবেশদ্বার হিসেবে মোংলা বন্দরের সক্ষমতা বাড়ানোর সুযোগ রয়েছে। অন্যদিকে, প্রস্তাবিত অর্থনৈতিক অঞ্চল ঘিরে নতুন শিল্পকারখানা স্থাপন, দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণ এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টির সম্ভাবনাও রয়েছে।

সফরকে কেন্দ্র করে সুন্দরবন, দাকোপ ও মোংলা বন্দর এলাকায় তিন স্তরের নিরাপত্তাবলয় গড়ে তোলা হয়েছে।

সংশ্লিষ্টদের মতে, পরিকল্পিত উদ্যোগ ও প্রয়োজনীয় অবকাঠামো নিশ্চিত করা গেলে এসব সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের অর্থনীতিতে ইতিবাচক পরিবর্তন আনা সম্ভব।

প্রধানমন্ত্রীর সফর ঘিরে দীর্ঘদিন ধরে প্রতীক্ষিত খানজাহান আলী বিমানবন্দর চালুসহ উপকূলীয় অঞ্চলের উন্নয়ন নিয়ে নতুন আশার সঞ্চার হয়েছে স্থানীয়দের মধ্যে।

তাঁদের প্রত্যাশা, সুন্দরবন, মোংলা বন্দর ও অর্থনৈতিক অঞ্চল ঘিরে উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়নে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হলে এ অঞ্চলে বিনিয়োগ বাড়বে, নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে এবং স্থানীয় অর্থনীতিতে গতি আসবে।

এস