রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বঙ্গভবনে বাউবির উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ছিদ্দিকুর রহমান খানের নেতৃত্বে পাঁচ সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে গেলে তিনি এ আহ্বান জানান। বাউবির ওয়েবসাইটেও অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ছিদ্দিকুর রহমান খানকে বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান উপাচার্য হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

সাক্ষাতে উপাচার্য রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করায় মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে অভিনন্দন জানান। একই সঙ্গে বাউবির শিক্ষা কার্যক্রম, মিডিয়া সেন্টার, একাডেমিক স্কুল, স্টাডি সেন্টার, দেশের বাইরের শিক্ষা কার্যক্রম এবং আঞ্চলিক ও উপ-আঞ্চলিক কেন্দ্রগুলোর কার্যক্রম সম্পর্কে তাঁকে অবহিত করেন।

উপাচার্য জানান, বিশ্ববিদ্যালয়টি বর্তমানে বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থীকে দূরশিক্ষণ পদ্ধতিতে শিক্ষা দিচ্ছে। প্রতিষ্ঠানটিকে আরও আধুনিক ও কার্যকর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পরিণত করতে রাষ্ট্রপতির সহযোগিতাও কামনা করেন তিনি।

রাষ্ট্রপতি বলেন, কর্মজীবী মানুষ, গৃহিণী, ঝরে পড়া শিক্ষার্থী এবং দুর্গম এলাকার বাসিন্দাসহ প্রচলিত শিক্ষাব্যবস্থার বাইরে থাকা জনগোষ্ঠীর শিক্ষা ও দক্ষতা উন্নয়নে উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।

তিনি দূরশিক্ষণ পদ্ধতিকে সময়ের চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে আরও মানসম্মত ও যুগোপযোগী করার ওপর গুরুত্ব দেন। বাউবির মাধ্যমে শিক্ষার সুযোগ আরও বিস্তৃত করার প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরেন রাষ্ট্রপতি।

সাক্ষাৎকালে বাউবির সার্বিক উন্নয়ন ও শিক্ষার মানোন্নয়ন নিয়েও আলোচনা হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান তথ্য অনুযায়ী, বাউবি ১৯৯২ সাল থেকে উন্মুক্ত ও দূরশিক্ষণ পদ্ধতিতে নমনীয় ও অন্তর্ভুক্তিমূলক শিক্ষার সুযোগ দিয়ে আসছে।

সাক্ষাৎ শেষে উপাচার্য আগামী বছর অনুষ্ঠেয় বাউবির সমাবর্তনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকার জন্য রাষ্ট্রপতিকে আমন্ত্রণ জানান। রাষ্ট্রপতি আমন্ত্রণ গ্রহণ করেন এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়ন ও শিক্ষার মানোন্নয়নে প্রয়োজনীয় সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

এ সময় রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের সংশ্লিষ্ট সচিবসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

এস