অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, ২০১৫ সালে অষ্টম জাতীয় পে-স্কেল বাস্তবায়নের সময় এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের জন্য দ্রুত পৃথক গেজেট প্রকাশ করা হয়েছিল। তবে নতুন বেতন কাঠামো কার্যকর করতে তখন প্রায় ছয় মাস সময় লেগেছিল। এবারও কিছুটা সময় লাগতে পারে, যদিও অষ্টম পে-স্কেলের মতো দীর্ঘসূত্রতা হবে না বলে আশা করা হচ্ছে।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে অর্থ মন্ত্রণালয়ের উচ্চপর্যায়ের এক কর্মকর্তা জানান, চলতি ডিসেম্বরের মধ্যেই এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের জন্য নতুন বেতন সুবিধা চালুর চেষ্টা চলছে। ডিসেম্বরে সম্ভব না হলে আগামী বছরের জানুয়ারিতে তা বাস্তবায়ন করা হতে পারে।
এদিকে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ড. খান মইনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেলও জানিয়েছেন, এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরা নবম জাতীয় পে-স্কেল অনুযায়ী বেতন পাবেন।
তিনি বলেন, এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরা যেন দ্রুত নতুন পে-স্কেল অনুযায়ী বেতন পান, সে বিষয়ে তাঁরা আন্তরিক। এ নিয়ে মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে নিয়মিত আলোচনা চলছে। কিছুটা দেরি হলেও শিক্ষক-কর্মচারীরা নতুন বেতন কাঠামোর সুবিধা পাবেন বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
সংশ্লিষ্ট সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, নবম পে-স্কেলের আওতায় এমপিওভুক্ত ৬ লাখ ২ হাজার ৩৫৯ জন শিক্ষক-কর্মচারীকে আনতে অতিরিক্ত ১৩ হাজার ৩৯২ কোটি টাকা প্রয়োজন হবে। এর মধ্যে বেতন-ভাতা বাবদ ব্যয় ধরা হয়েছে ১২ হাজার ৫১৮ কোটি টাকা। অবশিষ্ট অর্থ পেনশন খাতে ব্যয় হবে।
তবে এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের নতুন বেতন কাঠামো কার্যকরের নির্দিষ্ট তারিখ এখনো চূড়ান্ত হয়নি।
এনএইচ
















