দেশে প্রথম লিফটযুক্ত বৃহত্তম যাত্রীবাহী নৌযান সুন্দরবন-১০ আজ শনিবার উদ্বোধন করা হবে। ঢাকা সদরঘাটে লঞ্চটি উদ্বোধনের পর যাত্রী নিয়ে বরিশালের উদ্দেশে রওয়ানা হবে। দেশের আধুনিক বিলাসবহুল নৌযানটি ইতিমধ্যে খেতাব পেয়েছে বাংলার টাইটানিক হিসাবে।

দ্রুতগামী লঞ্চটি সম্পর্কে ধারণা দিতে অতিথিদের নিয়ে নৌযানটি বরিশালের কীর্তনখোলা নদীতে কিছুক্ষণ ভ্রমণ করে। ভ্রমণ শেষে অতিথিদের মধ্যে জেলা প্রশাসক ড. গাজী মো. সাইফুজ্জামান তার ফেসবুক স্ট্যাটাসে বলেছেন- সিসি ক্যামেরা, ওয়াইফাই, আইসিইউ ও লিফটসহ নতুন নতুন আয়োজন উন্নতমানের ভ্রমণের সম্ভাবনা সৃষ্টি হয়েছে।

কর্তৃপক্ষ জানান, প্রায় চারতলা বিশিষ্ট লঞ্চটিতে প্লে-গ্রাউন্ড, ফুড কোর্ট এরিয়া, বেবি কর্নার, এটিএম বুথ, সেলুন প্রভৃতি ভ্রমণকারীদের যাত্রাকে আরামদায়ক করবে। প্রথম শ্রেণির কেবিনগুলো বানানো হয়েছে তিন তারকা হোটেলের আদলে।

লঞ্চ মালিক সাইদুর রহমান রিন্টু জানান, শনিবার (আজ) বেলা দেড়টায় ঢাকা সদরঘাটে লঞ্চটির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আম, নৌমন্ত্রী শাজাহান খান, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল , সাবেক চিফ হুইপ আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ এমপি, তালুকদার মো. ইউনুচ এমপি, জেবুনেছা আফরোজ এমপি। সভাপতিত্ব করবেন লঞ্চ মালিক সমিতির সভাপতি মাহবুব উদ্দিন আহমেদ (বীর বিক্রম)। এটি নির্মাণে ব্যায় হয়েছে ১৬ কোটি টাকা।

৩৩২ ফুট দৈর্ঘ্য ও ৫৫ ফুট প্রস্থ লঞ্চটিতে অনুমোদিত যাত্রী ধারণক্ষমতা ১ হাজার ৪’শ জন । এরমধ্যে দু’ শতাধিক প্রথম শ্রেণির কক্ষ (কেবিন), ১৫টি ভিআইপি কক্ষ, ৪০টি সোফা বা বিলাস আসন রয়েছে। বাকি যাত্রীদের বহন করা হবে ডেকে। লঞ্চটিতে প্রায় দু’শ টন পণ্য পরিবহন করা যাবে। জিপিএস পদ্ধতি যুক্ত করার কারণে চলমান লঞ্চটি তার নৌপথের এক বর্গকিলোমিটারের মধ্যে গভীরতা ছাড়াও অন্য নৌযানের উপস্থিতি চিহ্নিত করতে পারবে।

এমআর