প্রতিবেশী দেশ ভারতে নাশকতা চালানোর উদ্দেশ্যে জঙ্গিদের সঙ্গে যোগসাজসে লিপ্ত ছিল বাংলাদেশের খালেদা জিয়ার সরকারের একটা প্রভাবশালী অংশ। চট্টগ্রামে ১০ ট্রাক অস্ত্র মামলার রায়ে বিচারক এস এম মজিবুর রহমান এই ভাষাতেই আগের বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামির জোট সরকারকে অভিযুক্ত করেছেন। ৩০ জানুয়ারি এই রায়ে খালেদা জিয়ার দুই মন্ত্রী উলফার কমান্ডার পরেশ বরুয়া-সহ ১৪ জনের মৃত্যুদণ্ড ঘোষণা করেন বিচারক রহমান। ৩৯৪ পাতার পূর্ণাঙ্গ এই রায়টি প্রকাশের পর সুপ্রিম কোর্টে জমা পড়েছে।
দশ বছর আগে এপ্রিলের প্রথম দিনে চট্টগ্রামে শিল্প মন্ত্রণালয়ের জেটিতে দুই জাহাজ বোঝাই অস্ত্র, ১০টি ট্রাকে বোঝাই করার সময়ে ধরা পড়ে যায়। বিচারক রহমান তার রায়ে লিখেন, প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা বিভাগ (ডিজিএফআই)-এর ডিজি সাদিক হাসান রুমি প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে অস্ত্র আটকের বিষয়টি জানালেও তিনি নীরব থাকেন। ডিজিএফআই-এর প্রধান রুমি আদালতে হলফনামা দিয়ে এই তথ্য জানিয়েছেন। শিল্প দফতরের জেটিতে খালাস হওয়ার সময়ে যে এই অস্ত্র ধরা পড়েছে, তৎকালীন শিল্পমন্ত্রী জামাতের শীর্ষ নেতা মতিউর রহমান নিজামিকে সেই কথা জানিয়েছিলেন দফতরের সচিব শোয়েব আহমদ। আদালতকে দেয়া সাক্ষ্যে তিনিও জানিয়েছেন, মন্ত্রী তাকে কোনও পদক্ষেপ করতে বারণ করেছিলেন। অস্ত্র চোরাচালানের এই বিষয়টি সরকারের সব মহলের জ্ঞাতসারে হয়েছে বলেও সচিবকে জানিয়েছিলেন মন্ত্রী নিজামী।
রায়ে বিচারক মন্তব্য করেছেন, আলফার জন্য এই বিপুল অস্ত্র চোরাচালানের ঘটনায় প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক অফিস ‘হাওয়া ভবন’-এরও যোগাযোগ ছিল। খালেদা-পুত্র তারেক রহমান এই দফতরের দায়িত্বে ছিলেন। সামরিক গোয়েন্দা বিভাগ ‘ডিজিএফআই’ ছাড়া গুপ্তচর সংস্থা ‘এনএসআই’-এর তৎকালীন কর্মাকর্তারা এই মামলায় যে সাক্ষ্য দিয়েছেন, তা থেকেই বিষয়টি স্পষ্ট হয়েছে। পাকিস্তানি গুপ্তচর সংস্থা আইএসআই-এর পাঠানো অর্থ কী ভাবে বাংলাদেশের গুপ্তচর বিভাগের কর্তাদের হাতে আসত, তা-ও প্রকাশ্যে এসেছে।
সরকার ও গোয়েন্দা-গুপ্তচর বিভাগের কর্তাদের সঙ্গে উত্তর-পূর্ব ভারতের জঙ্গি সংগঠন উলফার যে নিবিড় যোগাযোগ ছিল, সে কথাও বলেছেন বিচারক। ওই রায়ে বলা হয়েছে, ডিজিএফআই ও এনএসআই-এর বিভিন্ন কর্তা আদালতে দাঁড়িয়েই আলফার সঙ্গে তাঁদের যোগাযোগের কথা স্বীকার করেছেন। এমনকী আলফার টাকায় সস্ত্রীক দুবাই বেড়িয়ে আসার কথাও স্বীকার করেছেন এনএসআই-র তখনকার ডিজি ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আব্দুর রহিম।
রায়ে বলা হয়েছে, সম্ভবত বিশ্বের আর কোনও মামলায় এ ভাবে দেশের গোয়েন্দা ও গুপ্তচর বিভাগের কর্তারা প্রকাশ্যে এসে আদালতে সাক্ষ্য দেননি। সে হিসেবে এই মামলা নতুন নজির গড়েছে। গোয়েন্দা ও গুপ্তচর বিভাগের কর্তারা আদালতে অত্যন্ত স্পষ্ট ভাবে জানিয়েছেন, সরকারের দায়িত্বশীল মন্ত্রীরাই গোটা ঘটনার মাথা। কর্মচারী হিসেবে বাকিরা তাদের দায়িত্বটুকুই পালন করেছেন শুধু। রায়ে বলা হয়েছে, দেশ পরিচালনায় ঘোষিত নীতির বাইরে সরকার যে অন্য একটি নীতিও মেনে চলত, এই মামলায় তা স্পষ্ট হয়েছে। বিচারকের মতে এই প্রবণতা যেমন অনৈতিক, তেমনই জাতীয় ও আঞ্চলিক নিরাপত্তার পক্ষেও চরম বিপজ্জনক। প্রতিবেশী দেশে নাশকতা চালানো কখনও কোনও সরকারের নীতি হতে পারে না। সূত্র: আন্দবাজার
[b]ঢাকা, ৭ ফেব্রুয়ারি (টাইমনিউজবিডি.কম)//ইএইচ[/b]
'ভারতে নাশকতাই লক্ষ্য ছিল খালেদা সরকারের'
প্রতিবেশী দেশ ভারতে নাশকতা চালানোর উদ্দেশ্যে জঙ্গিদের সঙ্গে যোগসাজসে লিপ্ত ছিল বাংলাদেশের খালেদা জিয়ার সরকারের একটা প্রভাবশালী অংশ। চট্টগ্রামে ১০ ট্রাক অস্ত্র মামলার রায়ে বিচারক এস এম মজিবুর রহমান
এসডিজি অর্জনে বিশ্বনেতাদের একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর
টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জনে পারস্পরিক সহযোগিতা, সহমর্মিতা ও যৌথ দায়িত্ববোধের ভিত্তিতে বিশ্বনেতাদের একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
র্যাব বিলুপ্তি চেয়েছিলেন খালেদা জিয়া, সংস্কার নয়: জামায়াত এমপি
নারায়ণগঞ্জের সাত খুনের ঘটনার পর বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া র্যাবকে ‘কিলিং স্কোয়াড’ আখ্যা দিয়ে বাহিনীটি বিলুপ্তির দাবি জানিয়েছিলেন বলে সংসদে জানিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার নাজিবুর রহমান মোমেন।
শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি বিরোধীদের আশ্রয়ে পাটোয়ারী-সিফাতরা জিয়া পরিবারকে গালিগালাজ করছে
বিরোধী দলের আশ্রয়ে নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারী-সিফাতরা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও জিয়া পরিবারকে লক্ষ্য করে অশালীন উক্তি ও বিবেক-নীতিবর্জিত গালিগালাজ করছেন বলে অভিযোগ করেছেন পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি। এ ধরনের বক্তব্য ফৌজদারি অপরাধের মধ্যে পড়ে বলেও দাবি করেন তিনি।
জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার সমাধিতে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে দলের প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন বিএনপি চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
তারেক রহমানের পাশেও ঢাকাবাসী: আবদুস সালাম
ঢাকা শহর অতীতে যেভাবে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার পাশে ছিল, একইভাবে বর্তমানেও ঢাকাবাসী প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পাশে রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রশাসক ও বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আবদুস সালাম।
















