ভোটকেন্দ্র দখলের অভিযোগে পিরোজপুর সদর উপজেলা নির্বাচনে বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী এলি জামান এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী শাহনাজ পারভীন শানু ভোট বর্জনের ঘোষণা দিয়েছেন।
রোববার দুই প্রার্থী তাদের নিজ বাড়িতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ ঘোষণা দেন।
সংবাদ সম্মেলনে তারা অভিযোগ করেন, আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থীর লোকজন ৫৪টি কেন্দ্রের মধ্যে সবক’টি দখল করে নিয়েছে।
বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী এবং স্বতন্ত্র প্রার্থীর কোন পোলিং এজেন্টকে ভোট কেন্দ্রে ঢুকতে দেওয়া হয়নি বলেও অভিযোগ করেন তারা।
এছাড়াও স্বতন্ত্র প্রার্থী শাহনাজ পারভীন শানু অভিযোগ করে বলেন, আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থীর নেতাকর্মীরা আমার বাড়িতে হামলা চালিয়েছে।
[b]পিরোজপুর, ২৩ মার্চ (টাইমনিউজবিডি.কম) // এমআর[/b]
কেন্দ্র দখলের অভিযোগে পিরোজপুর সদরে ২ প্রার্থীর ভোট বর্জন
ভোটকেন্দ্র দখলের অভিযোগে পিরোজপুর সদর উপজেলা নির্বাচনে বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী এলি জামান এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী শাহনাজ পারভীন শানু ভোট বর্জনের ঘোষণা দিয়েছেন।
শেরপুর-৩ আসনে জামায়াতের প্রার্থীর ভোট বর্জন
শেরপুর জেলা জামায়াতের আমির মাওলানা হাফিজুর রহমান বলেন, বিভিন্ন অনিয়ম ও পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে প্রার্থী ভোট বর্জনের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
ভোট বর্জনের ঘোষণা দিলেন হাসনাতের প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী
কুমিল্লা-৪ (দেবিদ্বার) আসনে ভোট বর্জনের ঘোষণা দিয়েছেন বিএনপি সমর্থিত ও গণঅধিকার পরিষদের ট্রাক মার্কার প্রার্থী জসিম উদ্দীন। এ আসনে তার অন্যতম প্রতিদ্বন্দ্বী জাতীয় নাগরিক পার্টির মুখ্য সংগঠক হাসনাত আব্দুল্লাহ।
নির্বাচন দাবিতে মুখে ফেনা তুললে হবে না, ফলও মানতে হবে : হালিম
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল আবদুল হালিম বলেছেন, নির্বাচনের রায় মানতে পিছপা হলে হবে না। সুষ্ঠু নির্বাচন হলেও বিকালে ভোট বর্জন করতে দেখা যায়। ডাকসুতে এত উৎসবমুখর পরিবেশে ভোট হয়েছে। দল, মত এবং ধর্ম নির্বিশেষে সব ছাত্র-ছাত্রীরা দুটি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভোট দিয়েছে। অথচ নির্বাচনের ফল মানেনি কেউ কেউ।
সর্বশেষ জাকসু নির্বাচনের যে তথ্য জানা গেল
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (জাকসু) ও হল সংসদ নির্বাচনের ভোট গণনা শুক্রবার (১২ সেপ্টেম্বর) সকালেও অব্যাহত রয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট ভবনে রাতভর গণনার পর সকাল থেকে আবারও কাজ শুরু হয়েছে।
৫ প্যানেলের ভোট বর্জন,তবে ভোটে অনিয়ম বা কারচুপির কোনো বিবৃতি দেয়নি কর্তৃপক্ষ
প্যানেলগুলো হলো ‘সম্প্রীতির ঐক্য’, ‘সংশপ্তক পর্ষদ’, ‘স্বতন্ত্র অঙ্গীকার পরিষদ’ ও সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্টের আংশিক প্যানেল। এ সময় বেশ কয়েকজন স্বতন্ত্র প্রার্থী তাদের সঙ্গে একাত্মতা পোষণ করে ভোট বর্জনের ঘোষণা দেন। তবে ভোটে অনিয়ম বা কারচুপির কোনো আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দেয়নি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।
















