তামাক কোম্পানিগুলো বিদ্যমান আইন লঙ্ঘণ করে এবং আইন ও বিধিমালা সম্পর্কে বিভ্রান্তি সৃষ্টির মাধ্যমে সরকারের তামাক নিয়ন্ত্রণ কাযর্ক্রমকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে। জনস্বাস্থ্য রক্ষায় এ অপচেষ্টা সম্পর্কে সরকারকে সতর্ক থাকতে হবে। তামাক নিয়ন্ত্রণ আইনের বিধিমালা প্রণয়নে বিলম্ব,নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে বিধিমালা বিষয়ে বিভ্রান্ত প্রচারণা,কোম্পানির আইনভঙ্গ করে বিজ্ঞাপনসহ নানা কাযর্ক্রমের বিষয়ে পর্যবেক্ষণের পরবর্তীতে তামাক নিয়ন্ত্রণ কর্মীরা এই উৎকন্ঠা প্রকাশ করেন।
বুধবার সকালে রিপোর্টার্স ইউনিটে বাংলাদেশ তামাক বিরোধী জোট আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা এই অভিমত ব্যক্ত করেন। এছাড়া সাম্প্রতিক সময়ে আইন মন্ত্রণালয়ে তামাক কোম্পানির প্রতিনিধিদের নিয়ে তামাক নিয়ন্ত্রণ বিধিমালা বিষয়ক সভার বিষয়েও উৎকন্ঠা প্রকাশ করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন পরিবেশবিদ আবু নাসের খান,ইপসার প্রধান নির্বাহী মো: আরিফুর রহমান,নিরাপদ ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান ইবনুল সাইদ রানা,নাটাব এর প্রকল্প সমন্বয়কারী সাগুফতা সুলতানা,এইড এর উপ-কর্মসূচি সমন্বয়কারী নুরুজ্জামান পলাশ এবং বাংলাদেশ তামাক বিরোধী জোটে’র সম্পাদক অ্যাডভোকেট সৈয়দ মাহবুবুল আলম প্রমূখ।
আবু নাসের খান বলেন,গত ০৫/০৩/১৪ খ্রিঃ আইন,বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) বিধিমালা,২০১৪ -র খসড়ার তামাক কোম্পানিকে সম্পৃক্ত করে অনুষ্ঠিত পর্যলোচনা সভা আন্তর্জাতিক তামাক নিয়ন্ত্রণ চুক্তি এফসিটিসি-র আর্টিকেল ৫.৩-র পরিপন্থী । নীতি প্রণয়নে তামাক কোম্পানির এ ধরনের সম্পৃক্ততা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দেশের ভাবমূর্তিকে ক্ষুন্ন করবে।
আরিফুর রহমান বলেন,সাম্প্রতিক সময়ে তামাক কোম্পানিগুলো ছোট/বড় দোকানীদের আইনের ভুল ব্যাখা দিয়ে আইন লঙ্ঘনে উৎসাহী করে তামাকজাত দ্রব্যের বিজ্ঞাপন প্রচার করছে। অনেক বিশ্ববিদ্যালয় ও প্রতিষ্ঠানে তারা সামাজিক দায়বদ্ধতার আদলে তামাকজাত দ্রব্যের প্রচারণা চালাচ্ছে। তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন ২০০৫ প্রণয়নের প্রেক্ষিতে বিজ্ঞাপন বন্ধে যে অর্জন হয়েছিল তা ব্যাহত করতে কোম্পানিগুলো অপচেষ্টা চালাচ্ছে।
সৈয়দ মাহবুবুল বলেন,সংশোধিত আইনে তামাকজাত দ্রব্যের মোড়কে ছবিসহ সতর্কবানী প্রদানের বিধান রয়েছে। যা মানুষকে ধূমপান হতে বিরত থাকতে সহযোগিতা করবে। কিন্তু বিধিমালা চূড়ান্ত করার অভাবে এখনো মোড়কের গায়ে ছবিসহ স্বাস্থ্যসতর্কবানী প্রদান করা সম্ভব হচ্ছে না। আইনে নাটক সিনেমায় ধূমপানের দৃশ্য নিষিদ্ধ করা হয়েছে। কিন্তু দেশী ও বিদেশী নাটক-সিনেমায় ধূমপানের দৃশ্য দেখানো হচ্ছে।
ইবনুল সাইদ রানা বলেন,বিদ্যমান আইনে সরকারি-বেসরকারি সকল প্রতিষ্ঠানে ধূমপানমুক্ত সাইন স্থাপন বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। আইন অমান্য করলে ১০০০ টাকা জরিমানার বিধান করা হয়েছে। কিন্তু অনেক প্রতিষ্ঠানেই এখনো ধূমপানমুক্ত সাইন স্থাপন করা হয়নি।
সাগুফতা সুলতানা বলেন,আইনের বিধান বাস্তবায়নের লক্ষ্যে বিধিমালার মাধ্যমে জাতীয় তামাক নিয়ন্ত্রণ সেলের সাংগঠনিক কাঠামো তৈরী,কর্মপরিধি নির্ধারণ ও কর্তৃত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নিয়োগ করা জরুরি।
সংবাদ সম্মেলনে জনস্বাস্থ্য ও দেশের সম্মান রক্ষায় বিধিমালা প্রণয়ন প্রক্রিয়ায় তামাক কোম্পানিগুলো যাতে কোন ধরনের প্রভাব বিস্তার না করতে পারে সে বিষয় জরুরি পদক্ষেপ গ্রহণ এবং দ্রুত তামাক নিয়ন্ত্রণ আইনের বিধিমালাটি পাশের দাবি জানানো হয়।
[b]ঢাকা, ১৯ মার্চ (টাইমনিউজবিডি.কম) // কেএইচ[/b]
তামাক নিয়ন্ত্রণ কাযর্ক্রমকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে কোম্পানিগুলো
তামাক কোম্পানিগুলো বিদ্যমান আইন লঙ্ঘণ করে এবং আইন ও বিধিমালা সম্পর্কে বিভ্রান্তি সৃষ্টির মাধ্যমে সরকারের তামাক নিয়ন্ত্রণ কাযর্ক্রমকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে
ইরানের হামলায় যুক্তরাষ্ট্রের ২৬ সামরিক ঘাঁটি ক্ষতিগ্রস্ত
মধ্যপ্রাচ্যে ইরানের হামলায় যুক্তরাষ্ট্রের ২৬টির বেশি সামরিক ঘাঁটি ও স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এতে কয়েক বিলিয়ন ডলারের সামরিক সরঞ্জাম ও অবকাঠামোর ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানিয়েছে বার্তা সংস্থা অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস (এপি)। স্যাটেলাইট চিত্র বিশ্লেষণ এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে এ প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে সংস্থাটি।
রিয়াদের আকাশে হুথি ক্ষেপণাস্ত্র ধ্বংস, স্কুল-ক্লিনিক ক্ষতিগ্রস্ত
সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদকে লক্ষ্য করে ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীদের ছোড়া ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র আকাশেই ধ্বংস করেছে দেশটির প্রতিরক্ষা বাহিনী। তবে একটি ক্ষেপণাস্ত্রের ধ্বংসাবশেষ পড়ে শহরটির একটি স্কুল ও মেডিকেল ক্লিনিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
জর্ডানে ইরানি হামলা, ক্ষতিগ্রস্ত ৮ মার্কিন যুদ্ধবিমান
জর্ডানের একটি সামরিক ঘাঁটিতে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় কয়েকটি মার্কিন যুদ্ধবিমান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। হামলায় অন্তত আটটি এফ-১৫ যুদ্ধবিমান সামান্য ক্ষতির মুখে পড়লেও দ্রুত মেরামতের পর সেগুলো আবার বহরে যুক্ত করা হয়েছে।
গুম-খুনের শিকার ও ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের জন্য নতুন অধিদপ্তর
গুম, খুন, নির্যাতন ও বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের শিকার ব্যক্তি এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর কল্যাণ, চিকিৎসা, আইনি সুরক্ষা ও পুনর্বাসন নিশ্চিত করতে নতুন অধিদপ্তর গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
















