সকাল ৮টা থেকে গাজীপুরের বিভিন্ন স্থানে মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন পোশাকশ্রমিকেরা। প্রায় ছয় ঘণ্টা ধরে চলা এ কর্মসূচিতে সফিপুর পল্লী বিদ্যুৎ ও চন্দ্র এলাকায় ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।
প্রত্যক্ষদর্শী ও সংশ্লিষ্ট সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, বেলা ১১টার দিকে আন্দোলনকারীদের মহাসড়ক থেকে সরিয়ে দিতে পুলিশ ও বিজিবি সদস্যরা ধাওয়া দেন। এ সময় আন্দোলনকারীদের ছোড়া ইটের আঘাতে এক পুলিশ সদস্য আহত হন।
অন্যদিকে, বেলা ১২টার দিকে গাজীপুর মহানগরীর নাওজোর এলাকায় পুলিশের একাধিক গাড়িতে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। এ সময় সাংবাদিকদের ওপর হামলা ও ক্যামেরা ভাঙচুর করা হয়। এর আগেও কয়েকজন সাংবাদিককে মারধর এবং তাঁদের মুঠোফোন ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে।
পরে শিল্প পুলিশ, গাজীপুর জেলা পুলিশ ও বিজিবির সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে টিয়ারশেল ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করেন। দুপুর ১টার পর শ্রমিকেরা মহাসড়ক থেকে সরে গেলে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।
গাজীপুর শিল্প পুলিশের পুলিশ সুপার আমজাদ হোসেন গণমাধ্যমকে বলেন, শ্রমিকদের বিক্ষোভের কারণে দেড় শতাধিক কারখানায় ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বিজিবি, জেলা ও মহানগর পুলিশের সঙ্গে শিল্প পুলিশ কাজ করছে।
কালিয়াকৈর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শহিদুল ইসলাম বলেন, শ্রমিকেরা আগেই বাড়ি ফিরে গেছেন। এখন যাঁরা অবস্থান করছেন, তাঁরা দেশকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করছেন বলে তাঁর দাবি। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সম্মিলিত প্রচেষ্টায় মহাসড়কে যান চলাচল শুরু হয়েছে।
এস
















