দেশে রাজনৈতিক সঙ্কটের সময় পুলিশের ঘুস বাণিজ্য বাড়ে৷ এক শ্রেণির পুলিশ সদস্য আইনের নানা ধারা প্রয়োগ করে এই ঘুস বাণিজ্য চালায়৷টিআইবি'র নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান এর বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়ার দাবি করেছেন৷
বাংলাদেশের ১০১ জন পুলিশ সদস্যের প্রায় দেড় কোটি টাকার ঘুস বাণিজ্যের খবর প্রকাশ হয়েছে সংবাদ মাধ্যমে৷ তারা ২২৬ জনকে আটকের পর ছেড়ে দেয়ার বিনিময়ে ওই পরিমাণ টাকা নিয়েছেন৷ ১৯ জেলার একজন এসপিসহ এসআই পর্যন্ত কর্মকর্তারা এই ঘুস নেয়ার সঙ্গে জড়িত বলে অভিযোগ৷ এই বাণিজ্য হয়েছে দেশে রাজনৈতিক সঙ্কটের সময়৷ আর যাদের আটকের পর ভয়ভীতি দেখিয়ে টাকার বিনিময়ে ছাড়া হয়েছে, তাদের মধ্যে জামায়াত-বিএনপির নেতাকর্মী ছাড়াও আওয়ামী লীগের সমর্থক, ব্যবসায়ী, মাদকসেবী, চোরাকারবারি, প্রেমিকযুগল, মোটরসাইকেল আরোহীরাও রয়েছেন৷ গত সংসদ নির্বাচনের আগে-পরে এসব ঘটনা ঘটে৷
প্রকাশিত খবর অনুযায়ী স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ১৮ মার্চ ‘প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী' অভিযুক্ত এসব পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়ে মন্ত্রণালয়কে জানাতে পুলিশের মহাপরিদর্শককে (আইজিপি) নির্দেশ দিয়েছে৷
টিআইবি'র নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, ‘‘তারা বার বার দেখেছেন পুলিশের এক শ্রেণির সদস্য দেশে রাজনৈতিক সঙ্কটসহ যে কোনো ধরনের সঙ্কটের সময় আটকের নামে ঘুস বাণিজ্য চালায়৷ তারা নিরীহ মানুষকে আটক করে মামলায় ফাঁসানোর ভয় দেখিয়ে অর্থ আদায় করে৷ আবার অর্থের বিনিময়ে প্রকৃত অপরাধীদেরও ছেড়ে দেয়৷ এতে সাধারণ মানুষ হয়রানির শিকার হন৷'' তিনি আরও বলেন, ‘‘এবার প্রধানমন্ত্রীর দফতর থেকেই এরকম ১০১ পুলিশ কর্মকর্তাকে চিহ্নিত করে ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে৷ তাই আশা করা যায় এই সব পুলিশ কর্মকর্তা শাস্তির আাওতায় আসবেন৷ তবে আগেই পুলিশ সদর দফতরের নজরে বিষয়টি আসা উচিত ছিল৷ আর এখন পুলিশকে এ থেকে শিক্ষা নেয়া উচিত৷''
ড. ইফতেখার বলেন, ‘‘পুলিশের এই ঘুস বাণিজ্য বন্ধ না হলে আইনের শাসন সুদূর পরাহত হবে৷ আর কতিপয় পুলিশ সদস্যের জন্য পুরো বাহিনীর সুনাম ক্ষুণ্ণ হয়৷''
জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান ড. মিজানুর রহমান বলেন, ‘‘একটি মামলায় দু'একজনের নাম দিয়ে শত শত অজ্ঞাত পরিচয় আসামি দেয়া হয়৷ এটা করাই হয় ঘুস বাণিজ্যের জন্য৷ নিরীহ মানুষকে আটকের পর ভয়ভীতি দেখিয়ে অর্থ আদায়ের জন্য৷'' তিনি আরও বলেন, ‘‘এই কথা বলায় অনেকেই তার ওপর ক্ষুব্ধ হয়েছেন৷ কিন্তু এখন প্রমাণিত হয়েছে পুলিশ কী ভাবে আটক করে ঘুস বাণিজ্য চলায়৷ তাদের নামও প্রকাশ হয়েছে৷ অসৎ পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নেয়ায় এই বাণিজ্য থামছেনা৷''
[b]ঢাকা, ২৮ মার্চ (টাইমনিউজবিডিডটকম) // ইএইচট[/b]
সঙ্কটের সময় পুলিশের ঘুস বাণিজ্য বাড়ে
১০১ জন পুলিশ সদস্যের প্রায় দেড় কোটি টাকার ঘুস বাণিজ্যের খবর প্রকাশ হয়েছে সংবাদ মাধ্যমে৷ তারা ২২৬ জনকে আটকের পর ছেড়ে দেয়ার বিনিময়ে ওই পরিমাণ টাকা নিয়েছেন৷ ১৯ জেলার একজন এসপিসহ এসআই পর্যন্ত কর্মকর্তারা এই ঘুস নেয়ার সঙ্গে জড়িত বলে অভিযোগ৷ এই বাণিজ্য হয়েছে দেশে রাজনৈতিক সঙ্কটের সময়৷ আর যাদের আটকের পর ভয়ভীতি দেখিয়ে টাকার বিনিময়ে ছাড়া হয়েছে, তাদের মধ্যে জামায়াত-বিএনপির নেতাকর্মী ছাড়াও আওয়ামী লীগের সমর্থক, ব্যবসায়ী, মাদকসেবী, চোরাকারবারি, প্রেমিকযুগল, মোটরসাইকেল আরোহীরাও রয়েছেন৷ গত সংসদ নির্বাচনের আগে-পরে এসব ঘটনা ঘটে৷
ঢাকা-ওয়াশিংটন অর্থনৈতিক সমীকরণ বাণিজ্য চুক্তির আড়ালে বড়ো বৈষম্য ও জ্বালানি নিরাপত্তার চ্যালেঞ্জ?
মীর্জা মসিউজ্জামান : গণতান্ত্রিক রূপান্তর ও নতুন রাজনৈতিক সরকারের সূচনার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার সম্পর্কে নতুন গতিশীলতা এসেছে। তবে ভূরাজনৈতিক অস্থিরতা, বিশ্ববাজারের জ্বালানি সংকট এবং দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য চুক্তির কারণে সৃষ্ট অর্থনৈতিক চাপে এক জটিল সন্ধিক্ষণ পার করছে ঢাকা। একদিকে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য ঘাটতি কমাতে বিপুল অঙ্কের পণ্য আমদানির বাধ্যবাধকতা, অন্যদিকে দেশের ভেতরে বিদেশি বিনিয়োগ (এফডিআই) প্রবাহ কমে যাওয়ায় নীতিগত চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হয়েছে নতুন সরকার।
বাণিজ্য উত্তেজনার মধ্যেই ভারতে যাচ্ছেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী
বাণিজ্য নিয়ে মতপার্থক্য এবং রাশিয়ার কাছ থেকে ভারতের তেল কেনা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের অসন্তোষের মধ্যেই আগামী সপ্তাহে ভারত সফরে যাচ্ছেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও। সফরে দুই দেশের জ্বালানি সহযোগিতা, কৌশলগত সম্পর্ক এবং বাণিজ্যিক যোগাযোগ আরও জোরদার করার বিষয়ে আলোচনা করবেন তিনি।
তিস্তা প্রকল্পে সহায়তা মুক্ত বাণিজ্যে আগ্রহী নেদারল্যান্ডস
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন নেদারল্যান্ডসের বৈদেশিক বাণিজ্য ও উন্নয়ন সহযোগিতাবিষয়ক মন্ত্রী শুর্ত শুর্তসমা।
ভিসা সহজীকরণ, বাণিজ্য বৃদ্ধিসহ বহুমাত্রিক সহযোগিতা জোরদারে গুরুত্বারোপ
বাংলাদেশ ও ইন্দোনেশিয়ার মধ্যে ভিসা ও ভ্রমণ প্রক্রিয়া আরও সহজ করা, বাণিজ্য সম্প্রসারণ এবং বিভিন্ন খাতে সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। একই সঙ্গে বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য অন-অ্যারাইভাল ভিসা পুনরায় চালু এবং দুই দেশের মধ্যে সরাসরি ফ্লাইট চালুর বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
ট্রাম্প-মোদি ফোনালাপের পরও ভারত-যুক্তরাষ্ট্র বাণিজ্য চুক্তি অনিশ্চিত
ভারত ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে বহুল প্রত্যাশিত বাণিজ্য চুক্তি শিগগিরই সম্পন্ন হওয়ার সম্ভাবনা নেই বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন মার্কিন বাণিজ্য প্রতিনিধি জেমিসন গ্রিয়ার। বৃহস্পতিবার ভারতীয় সংবাদ সংস্থা এএনআইকে তিনি বলেন, চুক্তি ‘অবিলম্বে’ হওয়ার মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়নি। তবে আলোচনায় কোন বিষয়গুলো এখনো বড় বাধা হয়ে আছে, তা দুই পক্ষই চিহ্নিত করতে পেরেছে বলে জানান তিনি।
















