হবিগঞ্জ আধুনিক সদর হাসপাতালে নার্সের অবহেলায় এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় নার্স জ্যোৎস্না বেগমকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।
রবিবার দুপুর ২টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে হাসপাতালে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, হবিগঞ্জ সদর উপজেলার দুর্লভপুর গ্রামের খোকন মিয়ার নবজাতক শিশু শ্বাসকষ্টে আক্রান্ত হলে শনিবার রাতে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। রবিবার দুপুরে তাকে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তরের পরামর্শ দেন চিকিৎসক। এসময় শিশুর অভিভাবকরা অ্যাম্বুলেন্স আনার আগেই নার্স জ্যোৎস্না ইনকিউবেটরে থাকা শিশুর অক্সিজেন সরবরাহ বন্ধ করে দিলে সে মারা যায়। এতে বিক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে শিশুর স্বজনরা। পরিস্থিতি নাজুক দেখে নার্স জ্যোৎস্না হাসপাতালের একটি কক্ষে লুকিয়ে আত্মরক্ষা করেন।
এ ঘটনায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তাৎক্ষনিক জ্যোৎস্নাকে সাময়িক বরখাস্ত করেন। পরে পুলিশ ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষসহ স্থানীয় লোকজন বিষয়টি সমঝোতার জন্য বৈঠকে বসেন।
[b]ঢাকা, ১৬ মার্চ (টাইমনিউজবিডি.কম) // জেআই[/b]
নার্সের অবহেলায় শিশুর মৃত্যু
হবিগঞ্জ আধুনিক সদর হাসপাতালে নার্সের অবহেলায় এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় নার্স জ্যোৎস্না বেগমকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। রবিবার দুপুর ২টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে হাসপাতালে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
বন্যাদুর্গত এলাকায় চিকিৎসক-নার্সসহ স্বাস্থ্যকর্মীদের ছুটি বাতিল
সারাদেশের বন্যাদুর্গত এলাকায় চিকিৎসক, নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মীদের ছুটি বাতিল করেছে স্বাস্থ্য অধিদফতর। সেইসঙ্গে বন্যা আক্রান্ত সকল উপজেলায় সাপের কামড়ে আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসা প্রদানের জন্য পর্যাপ্ত অ্যান্টি-স্নেক ভেনম মজুদ রাখা, জরুরি ওষুধ ও স্যালাইনের পর্যাপ্ত মজুতের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
‘নার্সের দেওয়া ভুল ইনজেকশনেই আমার ছেলেটা মারা গেছে’
‘এই হাসপাতালের চিকিৎসা এত খারাপ, আমি জানতাম না। আমার ছেলে মারা যাওয়ার পর হাসপাতালের লোকজন সবাই পালিয়ে গিয়েছিল। নার্সের দেওয়া ভুল ইনজেকশনের কারণেই আমার ছেলে মারা গেছে। ডাক্তার যে ইনজেকশন লিখে দিয়েছিলেন, তার সঙ্গে আরেকটি ইনজেকশন মিশিয়ে আমার বাচ্চাকে দেওয়া হয়েছে।
হামের রোগীদের জন্য দায়িত্বরত ডাক্তার-নার্সদের ঈদের ছুটি বাতিল
হামের রোগী ও জরুরি স্বাস্থ্যসেবা সংশ্লিষ্ট ডাক্তার ও নার্সদের ঈদে ছুটি হবে না বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।
















