আগামী ২৪ তারিখ মীর কাশেম আলীর মামলার রায়। ভিন্ন কিছু হওয়ার কথা না, তার আইনজীবি প্যানেলের সদস্য তার ছোট ছেলে আরমানকে আটক করা হয়েছে। পুলিশ অবশ্য অস্বীকার করেছে। এসব অবশ্য আইন আদালতের ব্যাপার ।

ইতোমধ্যে মিডিয়া তার একটা চিত্র একেছে এবং অব্যাহতভাবে একে চলেছে। ধনী মীর কাশেম। মিডিয়া তার সম্পর্কে প্রচার করছে তিনি শত শত হাজার হাজার কোটি টাকার মালিক। বহু কোম্পানীর মালিক। যেমন ইসলামী ব্যাংক, ইবনে সিনা, কেয়ারী আর কত কত কোম্পানীর।

ইসলামী ব্যংকের তিনি একজন ডিরেক্টর ছিলেন। ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ ব্যাংকের আইন দ্বারা নিয়ন্ত্রিত পরিচালকরা এখান থেকে কোন বেতন ভাতা পান না।

তিনি ব্যাবহারের জন্য একটা গাড়ী পেতেন। তারই প্রচেষ্টায় হাসপাতাল মেডিকেল কলেজসহ এত সব কিছু হয়েছে। এতে ক্ষতি, না দেশ ও সমাজের লাভ হয়েছে আলোচনা করা যেতে পারে। তিনি এখন গাড়ী বা প্রতিষ্ঠান কোনটাই নিয়ে আসেন নাই। একইভাবে তিনি ইবনে সিনার ট্রাস্টে ছিলেন। কোন বেতন ভাতা পেতেন না । এ গুলি চলছে তিনি নেই।

দিগন্তের ব্যাপারে একই কথা। কিছু উদ্যোক্তাদের নিয়ে তিনি কেয়ারী গঠন করেছিলেন। যার মালিকদের তিনি ছিলেন একজন। এতে অপরাধ বা আইনের কি ব্যত্যয় ঘটেছে তা জানার আমার খুব আগ্রহ, বর্তমানে কেয়ারী তাদের নেই।

মীর কাশেমের ঢাকা বা অন্য কোথায় কোন বাড়ীঘর নেই, মীরপুরে যে বাড়ীতে তার পরিবার থাকে, তা তাদের ভাই বোনদের পৈত্রিক সম্পত্তি । আমার জানা মতে তাদের আয় খুব কম। কেহ ইচ্ছা করলে তাদের বাসা দেখে আসতে পারেন।

তিনি নাকি জামায়াতের অর্থের যোগানদাতা , হা তিনি মাসে মাসে সবার মত টাকা দিতেন। যারা পার্টির টাকা ছাড়া দল করা বুঝেন না তাদের যোগানদাতা থাকতেই হয়। সেসব অবশ্যই ভিন্ন আলোচনা। এসব বলে বলে যারা ইসলামী ব্যাংকটি দখলে নিয়েছেন তাদের এখন সুযোগ হয়েছে সরাসরি দেখার। আশাকরি সব দেখে জাতীকে জানাবেন,ইতিহাস একদিন সব সত্যই বলবে। কিন্তু সেদিন মীর কাশেম আলীকে পাওয়া যাবে না। (লেখক: আমেরিকা প্রবাসী বাংলাদেশী)

(বি. দ্র. মতামত লেখকের একান্ত নিজস্ব। টাইমনিউজবিডির সম্পাদকীয় নীতিমালার সাথে এর কোন সম্পর্ক নেই)