সমন্বিত সাইবার আইন হওয়ার পর বিদ্যমান আইসিটি আইনটি থাকার দরকার হবে কিনা তখন সেটা পর্যালোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। তবে প্রস্তাবিত সাইবার আইনটি হওয়ার আগ পর্যন্ত বর্তমান আইসিটি আইনের মাধ্যমেই কাজ চলবে বলে জানিয়েছেন তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু।
সচিবালয়ে রবিবার দুপুরে সম্প্রতি বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার দেওয়া একটি বক্তব্যের প্রতিবাদ জানাতে ডাকা সংবাদ সম্মেলনে এই মন্তব্য করেন তথ্যমন্ত্রী।
মন্ত্রী বলেন, ‘পৃথিবীর সব দেশে সাইবার অপরাধ একটি জঘন্য অপরাধ হিসেবে গণ্য হচ্ছে। তাই এই বিষয়ে নারী, শিশু ও ব্যক্তিসহ প্রাতিষ্ঠানিক নিরাপত্তার জন্য সমন্বিত একটি আইন প্রণয়নের প্রক্রিয়া চলছে। নতুন এই আইনটি হলে আইসিটি আইন বাতিল করা হবে কিনা তা দেখা হবে।’
তিনি উল্লেখ করেন, ‘খালেদা জিয়া বলেছেন, গণতন্ত্রের দুয়ার খুলে দিতে, আমি বলি গণতন্ত্রের দুয়ার খোলাই আছে। তিনিই বরং নিজেই নিজেকে গণতন্ত্রের কপাটের বাইরে নিয়ে গেছেন।’
সম্প্রতি আইসিটি আইনের ৫৭ ধারা নিয়ে গণমাধ্যমে সমালোচনার ঝড় বইছে। তবে সরকারের পক্ষ থেকে এই ধারার পরিবর্তন বা বাতিলের বিষয়ে কোনো মত আসেনি। উল্টো গত ১৮ আগস্ট সচিবালয়ের আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তথ্যমন্ত্রী ‘৫৭ ধারা বাতিলের প্রশ্নই আসে না’ বলে মন্তব্য করেছিলেন।
আইসিটি আইনের ৫৭ ধারায় অস্পষ্টতা আছে এমন কোনো বক্তব্য কোনো মন্ত্রী দেননি বলে দাবি করেন তথ্যমন্ত্রী। তবে, কোনো কোনো ক্ষেত্রে প্রশাসনের পক্ষ থেকে কিছু বিষয়ে বাড়াবাড়ি করে ভুল করে ফেললে আদালতে তার প্রতিকার পাওয়া যায় বলেন মন্ত্রী।
আইসিটি আইনটি সংবিধান পরিপন্থী নয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
ইনু বলেন, ‘যারা আইসিটি আইনের ৫৭ ধারার সমালোচনা করেন তারা কোন জায়গাটায় অস্পষ্টতা আছে তা বলেন না।’
সম্প্রতি আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের হাতে নিহতের সংখ্যা বৃদ্ধি নিয়ে হওয়া আলোচনা-সমালোচনার বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘ক্রসফায়ার দিয়ে দল কিংবা সন্ত্রাস সামলানোর চিন্তা শেখ হাসিনার সরকারের নেই।’
এএইচ





