খাদ্যমন্ত্রী এবং ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম এমপি আগামী শনিবারের মানববন্ধন কর্মসূচি প্রত্যাহারের আহ্বান জানিয়েছেন।
বৃহস্পতিবার সকালে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু এভিনিউর আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের উদ্যোগে জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে ঘোষিত আলোচনা সফল করার লক্ষ্যে আয়োজিত বর্ধিত সভায় এ আহ্বান জানান মন্ত্রী।
আওয়ামী লীগের জাতীয় শোক দিবসের মাসব্যাপী কর্মসূচির অংশ হিসেবে আগামী ৩০ আগস্ট শনিবার ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের এ আলোচনা সভা ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।
অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম এমপি বলেন, আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটি গত ৩০ সেপ্টেম্বরের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের জাতীয় শোক দিবসের আলোচনা সভা আগামী ৩০ আগস্ট অনুষ্ঠিত হবে।এব্যাপারে বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ পরিবেশন হয়েছে।
তিনি বলেন, বিএনপি এ আলোচনার সভার বিষয়ে অবগত থাকা সত্বেও একই দিনে মানববন্ধন কর্মসূচি ঘোষণা করেছে।
কামরুল বলেন, বিএনপি আওয়ামী লীগের সাথে যদি সংঘাতের ইচ্ছা না থাকে তাহলে তাদের ৩০ আগস্টের মানববন্ধন কর্মসূচি প্রত্যাহার করা উচিত।
তিনি বলেন, মহানগরের প্রতিটি ওয়ার্ড ও ইউনিয়ন থেকে আমাদের মিছিল আসবে।এদিন কর্মসূচি দিয়ে সংঘাত তৈরির অপচেষ্টা তাদের জন্য বুমেরাং হয়ে দাড়াবে।
কামরুল বলেন, দেশে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন হওয়ার কোন সম্ভাবনা নেই।
তিনি আরো বলেন, আগামী ২০১৯ সালে সংবিধান অনুযায়ী বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অধীনে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি মো. বজলুর রহমানের সভাপতিত্বে বর্ধিত সভায় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন।ত্রাণ ও দুর্জাগ ব্যবস্থাপনামন্ত্রী এবং ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মোফাজ্জল হেসেন চৌধুরী মায়া বীর বিক্রম, সহ-সভাপতি মুকুল চৌধুরী, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক হাজী মো. সেলিম এমপি প্রচার সম্পাদক আবদুল হক সবুজ প্রমুখ।
মোযাম্মেল হোসেন চৌধুরী মায়া এ আলোচনা সভাকে সফল করার লক্ষে ঢাকা মহানগরের অধীন প্রতিটি থানা, ওয়ার্ড ও ইউনিয়নের নেতা-কর্মীদের নানা নির্দেশনা দেন।
তিনি আলোচনা সভায় অংশগ্রহণের লক্ষ্যে আসা নেতা-কর্মীদের মিছিল সহকারে আলোচনা সভায় যোগদানের নির্দেশনা দেন।এ সময় সকলকে পরিষ্কার সাদা-পাঞ্জাবীর সাথে কালো ব্যাজ ধারনের নির্দেশনা প্রদান করেন।
মায়া প্রতিটি নেতা-কর্মীকে আলোচনা সভার চৌহদ্দির মধ্যে প্রবেশের পর ধৈয্য সহকারে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বক্তব্য শ্রবন করার জন্য নির্দেশনা দেন।যাদের ধৈয্য নেই তাদের আলোচনার চৌহদ্দির মধ্যে প্রবেশ না করে বাইরে অবস্থান করার পরামর্শ দেন।
তিনি ঢাকা মহানগরের জাতীয় শোক দিবসের আলোচনা সভা যাতে জনসভায় পরিস্থিতি হয় সে জন্য নেতা-কর্মীদের প্রতি আহবান জানান।
ঢাকা, ২৮ আগস্ট, টাইমনিউজবিডি.কম, এসআর





