কারাবন্দি বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন স্বজনরা। এদের মধ্যে খালেদার মেজো বোন সেলিমা ইসলাম, ছেলে আরাফাত রহমান কোকোর স্ত্রী শর্মিলা রহমান সিঁথি, তার মেয়ে জাহিয়া রহমান, বড় ভগ্নিপতি রফিকুল ইসলাম, তারেক রহমানের স্ত্রী জোবায়দা রহমানের বোন শাহিনা খান জামান ও খালেদা জিয়ার ভাই সাঈদ ইস্কান্দরের স্ত্রী নাসরিন ইস্কান্দর।
তবে খালেদার কাছে ঘরের তৈরি খাবার পৌঁছাতে পারেনি তার পরিবার। পূর্বানুমতি থাকলেও কারা কর্তৃপক্ষ খাবার সেলের ভেতরে নিতে দেয়নি বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপির চেয়ারপারসনের মেজো বোন সেলিমা ইসলাম।
বুধবার বিকাল সাড়ে ৫টার দিকে পুরান ঢাকার নাজিমউদ্দিন রোডের পরিত্যক্ত কেন্দ্রীয় কারাগারে বিকাল ৩টা ৪০ মিনিটে স্বজনরা কারাগারে প্রবেশ করেন। প্রায় দেড় ঘণ্টা পর তারা বিকাল ৫টা ১০মিনিটে কারাগার থেকে বেরিয়ে আাসেন।
এসময় সেলিমা ইসলাম পরিবারের তৈরি করা খাবার খালেদার কাছে নিতে দেয়নি বলে অভিযোগ করেন। তিনি গণমাধ্যমের কাছে বলেন, ‘আমাদের তৈরি রান্না করা খাবার নিয়ে এসেছিলাম, কিন্তু ভেতরে নিয়ে যেতে দেয়নি। আমরা যখন উপরে গেলাম, তখন খালেদা জিয়া জানতে চাইলেন, বাকি আত্মীয়-স্বজনেরা কোথায়? আমরা তাকে বলেছি, আমরা ২০ জন যেতে অনুমতি চেয়েছিলাম, কিন্তু আমাদের ছয়জনকে ভেতরে যেতে অনুমতি দেওয়া হয়।’
সেলিমা ইসলাম অভিযোগ করে বলেন, ‘খালেদা জিয়ার কাছে ঘরের তৈরি খাবার পৌঁছেনি। আর ওই সময় পর্যন্ত তিনি খাবার গ্রহণ করেননি। তার শরীর অনেক খারাপ। ঈদের দিন বিকাল পর্যন্তও কিছু খাননি তিনি।’
সেলিমা ইসলাম গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বললেও স্বজনদের বাকিরা কোনও মন্তব্য করেননি। তারা কারাগার থেকে বেরিয়ে যান।
গণমাধ্যমে কথা বলার সময় সেলিমার সঙ্গে খালেদা জিয়ার ব্যক্তিগত সহকারী আবদুস সাত্তার ও চেয়ারপারসনের মিডিয়া উইং সদস্য শামসুদ্দিন দিদার উপস্থিত ছিলেন।
এদিকে ঈদের দিন জামাত শেষে দুপুর ১২টার দিকে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ বিএনপির একটি দল খালেদার সাক্ষাৎ পেতে কারাগারে যাওয়ার পথে পুলিশের বাধায় ফেরত আসেন।
দেশবাসী ও নেতাকর্মীদের খালেদার ঈদ শুভেচ্ছা
খালেদা জিয়ার সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে কারাগার থেকে বেরিয়ে বোন সেলিমা ইসলাম বলেন, ‘দেশবাসী ও দলের নেতাকর্মীদের ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন খালেদা জিয়া। তার পক্ষ থেকে আমি সবাইকে শুভেচ্ছা জানাচ্ছি।’
এসএম





