রবিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, সরকার বিরোধী দলের আন্দোলনে ভয় পায় বলেই পাল্টা কর্মসূচি দেয়। সরকার ভীত বলেই বিএনপির নেতাকর্মীদের ওপর হামলা ও গ্রেপ্তার করে।
তিনি আরও বলেন, আমরা যেদিন কর্মসূচি দিয়ে থাকি সেদিন তারা পাল্টা কর্মসূচি দেয়। এর মাধ্যমেই প্রমাণিত হয় তারা দিশেহারা হয়ে দেশে একটি বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করার জন্য পাল্টা কর্মসূচি দিচ্ছে।
দেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের মনোনয়নের বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে মোশাররফ বলেন, এই সরকার কী করছে, না করছে তা নিয়ে মন্তব্য করতে চাই না। আমরা ১০ দফা দিয়েছি- তার প্রথমটা হচ্ছে এই সরকারের পদত্যাগ। আমরা সেই ১০ দফা নিয়ে আছি।
খন্দকার মোশাররফ বলেন, গ্যাস-বিদ্যুতসহ নিত্যপণ্যের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদ এবং ১০ দফা দাবি আদায়ের লক্ষ্যে গতকাল ইউনিয়ন পর্যায়ে পদযাত্রা কর্মসূচিতে বিপুলসংখ্যক জনগণ অংশগ্রহণ করেছে। গত কয়েকদিন গ্রেপ্তার ভয়ভীতির পরেও দেশবাসী কর্মসূচি পালন করেছে।
তিনি বলেন, ১৪ বছরে ৫০ লাখ নেতাকর্মীর নামে বানোয়াট মামলা করে এবং সহস্রাধিক নেতাকর্মীকে খুন-গুম করেও বিএনপির নেতাকর্মীসহ দেশের গণতন্ত্রকামী জনগণকে এই ফ্যাসিস্ট সরকার দমাতে পারেনি। তাই ভোটারবিহীন অবৈধ সরকারের বিদায় এখন সময়ের ব্যাপার মাত্র। নির্যাতনের মাত্রা যত বাড়বে, সরকারের বিদায় ঘণ্টা ততই ত্বরান্বিত হবে।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির এই সদস্য বলেন, আওয়ামী সন্ত্রাসী ও পুলিশি হামলা সত্বেও গণতন্ত্রকামী জনতা দানবীয় সরকারের রক্ত চক্ষুকে উপেক্ষা করে রাজপথে এসে কর্মসূচি সফল করে প্রমাণ করেছে, এ সরকার জনবিচ্ছিন্ন। যুগে যুগে কোন অত্যাচারী সরকার জুলুম, নির্যাতন করে টিকে থাকতে পারেনি, এই সরকারও পারবে না।
সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন- বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, ড. আব্দুল মঈন খান, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুল আউয়াল মিন্টু ও সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স প্রমুখ।
এনএইচ





