আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদক ড. হাসান মাহমুদ এবং ছাত্র ইউনিয়নের সিলেট জেলা শাখার সভাপতি শহিদুজ্জামানের ভিত্তিহীন ও মিথ্যা বক্তব্যের তীব্র নিন্দা এবং প্রতিবাদ জানিয়ে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও সাবেক এমপি জনাব হামিদুর রহমান আযাদ।

আজ বুধবার এক বিবৃতির মাধ্যমে তিনি এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, “গত ১২ মে জাতীয় প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদক ড. হাসান মাহমুদ ‘পহেলা বৈশাখ সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের গেটে নারীদের শ্লীলতাহানির ঘটনা জামায়াত-শিবির ঘটিয়েছে’ মর্মে যে ভিত্তিহীন মিথ্যা এবং কাল্পনিক বক্তব্য প্রদান করেছেন আমি তার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।

তিনি আরো বলেন, জামায়াতে ইসলামী ও ইসলামী ছাত্রশিবিরের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মিথ্যা বক্তব্য প্রদান করে তিনি উদোর পিন্ডেবুদোর ঘাড়ে চাপিয়ে প্রকৃত অপরাধীদের বাঁচানোর চেষ্টা করছেন। তার গর্হিত ও হাস্যকর বক্তব্যে দেশবাসী বিস্মিত।

তার বক্তব্যের জবাবে আমি স্পষ্ট ভাষায় জানাতে চাই যে, এভাবে মিথ্যা বক্তব্য দিয়ে কখনো শাক দিয়ে মাছ ঢাকা যাবে না। পহেলা বৈশাখ বিকেলে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের গেটে নারীদের ওপর হামলার ঘটনার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্ত করে দুর্বৃত্তদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি প্রদান করার জন্য আমি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহবান জানাচ্ছি।”

ছাত্র ইউনিয়নের সিলেট জেলা সভাপতির মিথ্যা অভিযোগের প্রতিবাদ জানিয়ে জনাব হামিদুর রহমান আযাদ বলেন, “ছাত্র ইউনিয়নের সিলেট জেলা শাখার সভাপতি শহিদুজ্জামান সিলেটের ব্লগার অনন্ত বিজয় দাসকে ‘জামায়াত-শিবির পূর্ব পরিকল্পিতভাবে হত্যা করেছে’ মর্মে গত ১২ মে যে ভিত্তিহীন মিথ্যা অভিযোগ করেছে আমি তার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।

তার এ অভিযোগ সব মিথ্যা ও কাল্পনিক। কোন অঘটন ঘটলেই তার জন্য জামায়াতে ইসলামী ও ইসলামী ছাত্রশিবিরকে দায়ী করে মিথ্যা বক্তব্য প্রদান করা তাদের মজ্জাগত কুস্বভাবে পরিণত হয়েছে।

তার এ অভিযোগের জবাবে আমাদের স্পষ্ট বক্তব্য হলো সিলেটের ব্লগার অনন্ত বিজয় দাসের হত্যাকাণ্ডের সাথে জামায়াতে ইসলামী ও ইসলামী ছাত্রশিবিরের কোন সম্পর্ক নেই।

এসএইচ