২৬ মার্চ সামনে রেখে হরতালে বিরতি দিয়েছে বিএনপির নেতৃত্বাধীন ২০ দলীয় জোট। তবে অবরোধ বহাল আছে। তার সঙ্গে বুধবার সারাদেশে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করবে ২০ দলীয় জোট।
মঙ্গলবার বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব বরকতউল্লাহ বুলুর স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে এই কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়।
বিবৃতিতে বলা হয়, বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব সালাহ উদ্দিন আহমেদসহ সারাদেশে ২০ দলীয় জোটের ‘গুম’ হওয়া নেতা-কর্মীদের তাদের পরিবারের কাছে সুস্থ অবস্থায় ফিরিয়ে দেয়া, বিচারবহির্ভূত হত্যা, গণগ্রেফতার বন্ধের দাবিতে বুধবার দেশের জেলা, থানা, পৌরসভা ও মহানগরের থানায় থানায় এই বিক্ষোভ মিছিল করবে তারা।
বিবৃতিতে বলা হয়, “দেশের জনসাধারণকে সাথে নিয়ে ২০ দলীয় জোট আন্দোলন সংগ্রাম অব্যাহত রেখেছে। অচিরেই দেশবাসীর আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটাতে এবং সরকারকে দাবি মানতে বাধ্য করতে আন্দোলনের নতুন রূপরেখা ও কৌশল প্রত্যক্ষ করবে শাসকগোষ্ঠী।”
বিবৃতিতে বলা হয়, “শাসকগোষ্ঠী ক্রসফায়ারের মাধ্যমে দেশব্যাপী ধারাবাহিক গণহত্যা, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী পরিচয়ে অপহরণের পর অস্বীকার, গুম, গণগ্রেফতার, মামলা-হামলা ও মানবাধিকার লঙ্ঘন এখন বাংলাদেশে যেন রেওয়াজে পরিণত করেছে।”
দেশের শতকরা ৯০ ভাগ মানুষ নির্দলীয় সরকারের অধীনে একটি সুষ্ঠু ও অবাধ জাতীয় নির্বাচন চায় দাবি করে বিবৃতিতে বলা হয, “সমগ্র জাতি আজ সেই লক্ষ্য পূরণের জন্য ঐক্যবদ্ধ হয়ে সংগ্রামে লিপ্ত। জনগণ ন্যায়সঙ্গত আন্দোলনের বিজয় পতাকা উড়াবেই।”
বিবৃতিতে ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস যথাযোগ্য মর্যাদায় স্বতঃস্ফূর্তভাবে পালনের জন্য বিএনপিসহ ২০ দলীয় জোটের সব শরিক দলকে অনুরোধ করা হয়।
জেএ





