নাটোরে পুলিশ বিএনপির ১১ পোলিং এজেন্টকে তুলে নিয়ে গেছে বলে অভিযোগ করেছেন স্থানীয় সংসদীয় আসনের বিএনপির প্রার্থীরা।

গতকাল নাটোরে মোট ৪টি সংসদীয় আসনের মধ্যে ৩টি আসন থেকে তাদের তুলে নিয়ে যাওয়া হয়। ভোটের আগে নেতা ও কর্মীদের মাঝে ভয় সৃষ্টির জন্য এ কাজ করা হয়েছে বলে দাবি প্রার্থীদের।

নাটোর-২ আসনে বিএনপির প্রার্থী সাবিনা ইয়াসমিন ছবি বলেন, নাটোর সদর থেকে জহির উদ্দিন, আনাম আলি, নুরুল ডাক্তার এবং আব্দুর রাজ্জাক। বাকি ৬ জন হচ্ছে আশরাফ আলি দেওয়ান, আব্দুর কুদ্দুস, লুৎফর রহমান, আব্দুল কাইয়ুম, রাহিদুল ইসলাম এবং আব্দুল আজিজ। যাদেরকে তুলে নেওয়া হয় নাইদাঙ্গা উপজেলা থেকে।

বিষয়টি এসপিকে জানানো হলে তিনি খতিয়ে দেখছেন বলে জানান।

আওয়ামী নেতাকর্মীরা নির্বাচনী আইন অমান্য করছেন বলে অভিযোগ করে ছবি জানান, তারা মোটরবাইক করে পুরো এলাকা মহড়া দিচ্ছে যেটা নির্বাচনী আইন আমান্য করা।

অপরদিকে নাটোর-৩ আসনের বিএনপি প্রার্থী জানান, তার আসন থেকে শামিম হোসাইন নামের এক পোলিং এজেন্টকে জেলার শ্রীনগর উপজেলা থেকে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়।

তিনি আরও অভিযোগ করেন, হুমায়ুন কবির এবং সুরমা বেগম নামের দুই কর্মীকে শারীরিকভাবে লাঞ্চিত করে ছাত্রলীগ।

এছাড়া নাটোর-১ আসন থেকে ইউপি মেম্বার গোলাম রব্বানীকে তুলে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ করা হয় এবং তার ছেলে মিস্টার আলীকে তুলে নেওয়ার জন্য বাড়িতে অভিযান চালাতে গেলে সে পালিয়ে যায়।

নাটোর-১ আসনের বিএনপির প্রার্থী কামরুন্নাহার শিরিন জানান, পুলিশ এলকায় এলাকায় গিয়ে বিএনপি কর্মীদের হুমকি দিচ্ছে এবং তাদেরকে ভোট না দেওয়ার জন্য বলছে। বিএনপির নেতাকর্মীদের ভোটকেন্দ্রের আশেপাশে দেখলে তাদের তুলে নিয়ে যাওয়ার হুমকি দিচ্ছে।

জেড