বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, সরকার বিভিন্ন অজুহাতে দেশে একনায়কতন্ত্র স্বৈরাচারী ব্যবস্থা চাপিয়ে দিয়েছে ।
আজ সোমবার দুপুরে ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জ উপজেলা বিএনপির উদ্যোগে পীরগঞ্জ পৌর মিলনায়তনে নেতাকর্মীদের সাথে মতবিনিময়কালে তিনি একথা বলেন।
তিনি বলেন, গণতন্ত্র হলে তারা (আওয়ামী লীগ) ক্ষমতায় থাকতে পারবে না। সে জন্য তারা সুর তুলেছে আগে উন্নয়ন, পরে গণতন্ত্র। পৃথিবীর কোনো গণতান্ত্রিক দেশে উন্নয়নের জন্য গণতন্ত্রকে বাদ দেয় না। মানুষের ভোটের অধিকার কেড়ে নেয় না, মানুষের কথা বলার অধিকার কেড়ে নেয় না, সংবাদপত্রের স্বাধীনতা কেড়ে নেয় না। পৃথিবীর সব গণতান্ত্রিক দেশে বিরোধী দলের কথা বলার অধিকার সাংবিধানিকভাবে রক্ষা করা হয়।
এই সরকার আর জনগণের প্রতিনিধিত্ব করে না উল্লেখ করে বিএনপি মহাসচিব বলেন, প্রতিনিধিত্ব করে না বলেই অবিলম্বে বিরোধী দলের সাথে আলাপ-আলোচনা করে সুষ্ঠু নির্বাচনের মধ্য দিয়ে একটা প্রতিনিধিত্বমূলক সরকার গঠন করা প্রয়োজন। কিন্তু তারা (আওয়ামী লীগ) শোনেননি।
তারা জানে, যদি অবাধ, নিরপেক্ষ নির্বাচন হয় তাহলে তারা ক্ষমতায় থাকতে পারবে না। সে জন্যই তারা সব সময়েই এই আলাপ-আলোচনা সমঝোতা এবং নিরপেক্ষ নির্বাচনকে বাতিল করে দিয়েছে। অন্যদিকে তারা বিভিন্ন অজুহাতে দেশে একটা একনায়কতন্ত্র স্বৈরাচারী ব্যবস্থা চাপিয়ে দিয়েছে।
মির্জা ফখরুল আরো বলেন, প্রধানমন্ত্রী নিজেই বলেছেন, আমি মিডিয়া দিতেও পারি, মিডিয়া নিতেও পারি। এরপর কোনো সম্পাদকের ঘাড়ে কয়টা মাথা আছে যে, সে আপনার (সরকারের) বিরুদ্ধে লিখবে। ফলে সে আর বিপক্ষে লেখে না, সবকিছু পক্ষেই লিখতে থাকে। আর কাগজের কাটতি হতে হবে তো, সেই জন্য বিএনপির বিরুদ্ধে লিখতে থাকে।
এ সময় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
এমবি





