জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের দুই পদের নির্বাচনের জন্য জমা হওয়া ৭৬টি মনোনয়নপত্রের যাচাই-বাছাই শেষ হয়েছে। যাচাই-বাছাইয়ে মোট কতজনের মনোনয়নপত্র বৈধ হয়েছে তা এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে জানায়নি বাছাই কমিটি।
সোমবার (২৬ আগস্ট) মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষ হয়। মঙ্গলবার (২৭ আগস্ট) বিকেলে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে জানানো হবে বলে একটি বিশ্বস্ত সূত্র জানিয়েছেন।
সূত্র জানিয়েছে, বিবাহিত, সনদপত্র না দেওয়া ও অসত্য তথ্য দেওয়ার কারণে ১০টি মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে। এছাড়া সাধারণ সম্পাদক পদে দুইজন প্রার্থী তাদের মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করে নিয়েছেন।
সভাপতি পদে হেভিওয়েট প্রার্থী যাদের মনোনয়ন বাতিল হয়েছে তাদের মধ্যে নামা পাওয়া গেছে, আল মেহেদী তালুকদার, মো. আসাদুল আলম টিটু, এম আরজ আলী শান্ত, আব্দুল হান্নান ও আরাফাত বিল্লাহ খান।
এছাড়া বিবাহিত হওয়ার কারণে সাধারণ সম্পাদক পদে নাদিয়া পাঠান পাপনের মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে বলে জানা গেছে। সাধারণ সম্পাদক পদে সাজ্জাদ হোসেন রুবেল ও নাইম হাসান মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করে নিয়েছেন।
এদিকে সভাপতি পদে হাফিজুর রহমান, ফকির আশরাফুল আলম লিঙ্কন ও কাজী রওনকুল ইসলাম শ্রাবনের মনোনয়নপত্র বৈধ হয়েছে বলেও ঐ সূত্র নিশ্চিত করেছে। অন্য দিকে সাধারণ সম্পাদক পদে ডাকসু নির্বাচনে ছাত্রদলের ভিপি প্রার্থী মোস্তাফিজুর রহমান, ঢাবি যুগ্ম-সম্পাদক সাইফ মাহমুদ জুয়েলের মনোনয়ন পত্র বৈধ হয়েছে।
আগামী ১৪ সেপ্টেম্বর ছাত্রদলের ষষ্ঠ জাতীয় কাউন্সিল হবে। ওইদিন সারাদেশ থেকে আগত ৫৮০ জন কাউন্সিলর সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত করার জন্য তাদের ভোট দেবেন।
গত ২০ আগস্ট মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ দিনে দুই পদে মোট ৭৬টি ফরম জমা পড়ে। এর মধ্যে সভাপতি পদে ২৭ জন ও সাধারণ সম্পাদক পদে ৪৯জন প্রার্থী তাদের মনোনয়নপত্র জমা দেন।
২১ আগস্ট থেকে ২৬ আগস্ট পর্যন্ত মনোনয়নপত্র যাচাই বাছাই করা হয়। ২৭ আগস্ট খসড়া প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করা হবে। প্রার্থীদের আপত্তি গ্রহণ ২৮ আগস্ট। ২৯ ও ৩০ আগস্ট আপিল নিষ্পত্তি করা হবে। প্রার্থিতা প্রত্যাহার ৩১ আগস্ট।
চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশিত হবে ২ সেপ্টেম্বর। প্রার্থীদের প্রচারণা ৩ সেপ্টেম্বর থেকে ১২ সেপ্টেম্বর মধ্য রাত পর্যন্ত চলবে।
এসএম





