তারা তত্ত্বাবধায়ক সরকারের গণদাবি পাশ কাটিয়ে তামাশা ও ভাঁওতাবাজীর নির্বাচনের মাধ্যমে আবারো ক্ষমতা কুক্ষিগত করতে চায়। এই পরিস্থিতিতে থেকে দেশ ও জাতিকে বাঁচাতে হলে আশুরার চেতনা ধারণ করে স্বৈরাচার ও ফ্যাসীবাদী শক্তির বিরুদ্ধে তীব্র গণপ্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে। তিনি আশুরার চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে স্বৈরাচারি, ফ্যাসীবাদী ও অগণতান্ত্রিক শক্তির বিরুদ্ধে রাজপথে তীব্র গণপ্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান জানান।

মঙ্গলবার (১ আগস্ট) ঢাকায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ঢাকা জেলা দক্ষিণ আয়োজিত আশুরার শিক্ষা ও তাৎপর্য শীর্ষক এক ভার্চুয়াল আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য ও ঢাকা জেলা দক্ষিণের আমীর মাওলানা দেলাওয়ার হোসাইনের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন জেলা নায়েবে আমীর শাহিনুর ইসলাম ও সেক্রেটারি এবিএম কামাল প্রমূখ।

মাওলানা আব্দুল জব্বার বলেন, আশুরার শিক্ষা ত্যাগ ও কোরবানীর শিক্ষা। রাসূল (সা.) দৌহিদ্র ঈমাম হোসাইন (রা.) এই আশুরার দিনেই সত্য ও ন্যায় প্রতিষ্ঠার জন্য শাহাদাতের যে নজরানা পেশ করেছিলেন তা ইসলামের ইতিহাসের এক তাৎপর্যপূর্ণ ও মহিমান্বিত ঘটনা। তাই আশুরার শিক্ষায় উদ্বুদ্ধ হয়ে ন্যায়-ইনসাফের সমাজ প্রতিষ্ঠায় আমাদের প্রত্যেককে অগ্রসৈনিকে ভূমিকা পালন করতে হবে। তিনি আশুরার শিক্ষা বাস্তবজীবনে প্রতিফলন ঘটানোর জন্য সকলের প্রতি আহ্বান জানান।

সভাপতির বক্তব্যে মাওলানা দেলোয়ার হোসাইন বলেন, কারবালার মর্মান্তিক ঘটনা ইসলামের ইতিহাসে একটি উল্লেখযোগ্য অধ্যায়। অসত্য ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিরোধ গড়ে তুলে শোহাদায়ে কারবালা যে কুরবানীর নজরানা পেশ করেছে তা সভ্যতার ইতিহাসে বিরল ঘটনা। তাই কারবালার আদর্শ অনুসরণ করে স্বৈরাচারী শাসকের বিরুদ্ধে লড়াই করে গনতন্ত্র প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে সকলকে অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে হবে। অন্যথায় জাতি মুক্তি পাবে না।

সূত্র : প্রেস বিজ্ঞপ্তি