বাজেটে হিন্দুদের জন্য ২০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করে ধর্মনিরপেক্ষতার চেতনা ভলুণ্ঠিত করা হয়েছে বলে মন্তব্য করেছে ওলামা লীগ নেতারা। নেতারা বলেন, এতে করে ৯৮ ভাগ সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলমানের দেশে মুসলমানদেরকে ধর্মীয় বৈষম্যের স্বীকার করা হচ্ছে।
আজ রোববার সকালে প্রেসক্লাবের সামনে ওলামা লীগের এক মানববন্ধনে ওলামা লীগ নেতারা এ মন্তব্য করেন।
বক্তারা বলেন, এবারের বাজেটে নগ্নভাবে হিন্দুদেরকে বিশেষ তোষণ করা হয়েছে। যা ৭২ এর সংবিধানের মূল চেতনা ধর্মনিরপেক্ষতার খেলাপ। যার দ্বারা মুসলমানদের ধর্মীয়ভাবে বিশেষ বৈষম্য করা হলো। যা আওয়ামী লীগের গঠনতন্ত্র অসাম্প্রদায়িক চেতনার মূলে কুঠারাঘাত করা হয়েছে।
বক্তারা আরো বলেন, অতীতেও দেখা গেছে আনুপাতিক হারে অর্থাৎ ৯৫ ভাগ জনগোষ্ঠী মুসলমানের জন্য ইসলামী অনুসঙ্গের জন্য যে বরাদ্দ পায় আনুপাতিক হারে ২ জনেরও কম হিন্দু তার চেয়ে অনেক বেশী বরাদ্দ পায়। অর্থাৎ আগে থেকেই মুসলমানদের প্রতি বৈষম্য করা হচ্ছে।
বক্তারা দাবি জানান, এজন্য সরকারের উচিত, মুসলমানদের সব মসজিদের অবকাঠামোও উন্নয়ন করা। মসজিদের বিদ্যুৎ বিল পানির বিল মওকুফ করা এবং আনুসঙ্গিক ধর্মীয় ব্যয় নির্বাহ করা ।বাইতুল মোকাররম মসজিদেই বরাদ্দ করলে হবেনা দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের মসজিদ,এতিমখানা ও মক্তবের জন্যও বরাদ্দ থাকতে হবে। যেমনি দেখা গেছে সরকারি বরাদ্দ মন্দির ও তীর্থস্থানের জন্য।
মানববন্ধনে সমন্বয় ও সভাপতিত্ব করেন, সাধারণ সম্পাদক মাওলানা মুহম্মদ আবুল হাসান শেখ শরীয়তপুরী, কার্যকরী সভাপতি মাওলানা মুহম্মদ আব্দুস সাত্তার, মুফতি মাসুম বিল্লাহ নাফেয়ী, আলহাজ্জ লায়ন মাওলানা মুহম্মদ আবু বকর ছিদ্দীক্ব, দপ্তর সম্পাদক মাওলানা মুহম্মদ শওকত আলী শেখ ছিলিমপুরী।
ইআর





