সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলায় ঘুমন্ত অবস্থায় দুই শিবির কর্মীকে অন্যায় ভাবে গ্রেফতার ও তাদের নিয়ে অস্ত্র নাটকের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির।

এক যৌথ প্রতিবাদ বার্তায় ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি আবদুল জব্বার ও সেক্রেটারী জেনারেল আতিকুর রহমান বলেন, সরকার শিবিরের গঠনমূলক রাজনীতিকে আর্দশ দিয়ে মোকাবেলা করতে ব্যর্থ হয়ে রাষ্ট্রীয় যন্ত্র ব্যবহার করে দমন নিপীড়ণ ও ষড়যন্ত্রের পথ বেছে নিয়েছে।

সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলায় গতকাল গভীর রাতে পুলিশ অভিযান চালিয়ে ঘুমন্ত অবস্থা থেকে ডেকে নিয়ে গ্রেফতার করে শিবির কর্মী রোমন ইসলাম ও মুজাম্মিল হোসেনকে।

কিন্তু সকালে ককটেল ও পাইপগান জুড়ে দিয়ে তাদের মিডিয়ার সামনে উপস্থাপন করা হয়। পুলিশের এই দায়িত্বহীন অমানবিক আচরণে ফেঞ্চুগঞ্জসহ দেশবাসী হতবাক।

নিরীহ ছাত্রদের অন্যায় ভাবে আটকের পর এমন নিকৃষ্ট অস্ত্র নাটক সুগভীর ষড়যন্ত্রের অংশ বলে সচেতন দেশবাসী মনে করে। অমানবিক ভাবে নিরীহ মেধাবী ছাত্রদের জীবনকে বিপন্ন করতেই সরকার ও প্রশাসন ঘৃণ্য রাজনৈতিক খেলায় মেতে উঠেছে। আমরা এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।

নেতৃবৃন্দ বলেন, ছাত্রশিবির আদর্শবাদী সংগঠন ও শান্তিপূর্ণ পথ চলায় বিশ্বাসী। এসব অস্ত্র নাটকের সাথে ছাত্রশিবিরের দূরতম কোন সম্পর্ক নেই। বরং সরকারের সীমাহীন ব্যার্থতাকে আড়াল করতেই পুলিশের সহায়তায় এমন ঘৃণ্য নাটকের অবতারণা করা হয়েছে।

পুলিশই অবৈধ সরকারের ইশারায় নিজেদের নীতি নৈতিকতাকে জলাঞ্জলি দিয়ে এই অস্ত্র উদ্ধার নাটক সাজিয়েছে। আমরা অবিলম্বে এই নাটক বন্ধ করে নিরাপরাধ দুই ছাত্রকে মুক্তি দিতে আমরা প্রশাসনের প্রতি আহবান জানাচ্ছি।

নেতৃবৃন্দ ভবিষ্যতে এমন অন্যায় গ্রেফতার ও সাজানো নাটক থেকে বিরত থাকতে এবং গ্রেফতারকৃতদের মুক্তি দিতে প্রসাশনের প্রতি আহবান জানান।

এসএইচ