বৃহস্পতিবার (৩ আগস্ট) দুপুর ২টার দিকে ওই ঘটনার প্রতিবাদে নিম্নোক্ত বিবৃতি প্রদান করেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের আমির নূরুল ইসলাম বুলবুল।

বিবৃতিতে তিনি বলেন, রাজধানীর পল্টনস্থ মহানগরীর জামায়াত অফিস সংস্কারের সময় বিনা অপরাধে সম্পুর্ণ অন্যায়ভাবে ছয়জন শ্রমিক ও একজন সিকিউরিটি গার্ডকে আটক করে নিয়ে যায় পল্টন থানা পুলিশ। আমি এ ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। অবিলম্বে আটক সিকিউরিটি গার্ড ও শ্রমিকদের মুক্তি দেয়ার জন্য পুলিশ প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি। একইসাথে সরকারের এহেন জুলুম-নির্যাতনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদে সোচ্চার হওয়ার জন্য দেশের জনগণের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি।

তিনি আরও বলেন, রাজনৈতিক সভা সমাবেশ করা আমাদের সাংবিধানিক অধিকার। অথচ সরকার জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় ও ঢাকা মহানগরীসহ দেশব্যাপী অফিসগুলোকে পুলিশ প্রশাসন দিয়ে জোরপূর্বক বন্ধ করে রেখেছে। সমাবেশের জন্য বারবার আবেদন করা হলেও প্রশাসন বিভিন্ন টালবাহানা করে আমাদের আবেদনগুলো নাকচ করে দিচ্ছে। আজকে অফিস সংস্কারের সময় শ্রমিকদের আটক করার ঘটনার মধ্য দিয়ে মূলত সরকারের একদলীয় ফ্যাসিবাদী চরিত্রই অত্যন্ত নগ্নভাবে প্রকাশিত হয়েছে।

মহানগরী আমির বলেন, জনবিচ্ছিন্ন এই সরকার রাষ্ট্রের আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকে তাদের রাজনৈতিক উদ্দেশ্য বাস্তবায়নে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছে। আজকের এই ঘটনার মাধ্যমে আবারো স্পষ্ট প্রতীয়মান যে, রাষ্ট্রের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী প্রজাতন্ত্রের সেবক হিসেবে ভূমিকা রাখার পরিবর্তে আওয়ামী লীগের দলীয় সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে ব্যস্ত। জনগণের ট্যাক্সের টাকায় পরিচালিত প্রজাতন্ত্রের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে কোনো দলের পক্ষ না হয়ে জনগণের পক্ষে ভূমিকা পালন করার আহ্বান জানাচ্ছি।

প্রেস বিজ্ঞপ্তি