আইন প্রয়োগকারী সংস্থাকে দিয়ে কন্ট্রাক্ট কিলিং চালিয়ে বিএনপিকে বিলুপ্ত করা যাবে না বলে মন্তব্য করে দলটির যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবীর রিজভী আহমেদ বলেছেন, এরকম রক্তাক্ত প্রক্রিয়া অনুসরণ করে তারা অতীতেও চেষ্টা করে দেখেছেন, ফলে কী পরিণতি হয়েছিল তা দেশবাসী জানে।
শনিবার সকালে দলের নয়াপল্টনে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব মন্তব্য করেন।
তিনি আরও বলেন, যারা অতি উঁচু গলায় বিএনপি ও জিয়া পরিবারের বিরুদ্ধে কুৎসা রটিয়ে নির্মম আক্রমণ চালিয়ে, রক্ত ঝরিয়ে প্রতিনিয়ত হুমকি-ধামকি দিয়ে নিজেদের নেত্রীকে খুশী করছেন তাদের সম্পর্কেও আওয়ামী নেত্রী শেখ হাসিনার সতর্ক থাকা প্রয়োজন। ঠিক ৭২-৭৫ এ যারা জোর গলায় মরহুম শেখ মুজিবুর রহমানের গুণকীর্তন করতেন তাদেরকেই দেখা গেছে ক্ষমতার শেষ দিন পর্যন্ত তাঁর মন্ত্রীসভায় অবস্থান করতে। তাদের অনেকেই শেখ মুজিবের লাশ ডিঙ্গিয়ে মন্ত্রীসভায় পদসহ গুরুত্বপূর্ণ পদে অভিষিক্ত হয়েছেন।
সরকারের সমালোচনা করে তিনি বলেন, বর্তমান অবৈধ আওয়ামী সরকার রাষ্ট্রের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানসহ দেশের সকল আনাচ-কানাচ দখল করার পরও তাদের পেট ভরছে না। দেশব্যাপী খুনোখুনি রক্তারক্তি করে সবকিছু লোপাট করার পরও অবশিষ্ট যা কিছু দেখছে সেটিও গ্রাস করতে চাচ্ছে। আগামী ৯ জুন ২০১৪, নাটোরের নলডাঙ্গা উপজেলা পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। এই নির্বাচনেও গায়ের জোরে নিজেদের প্রার্থীকে জেতানোর জন্য আওয়ামী সন্ত্রাসীরা মরিয়া হয়ে উঠেছে।
রিজভী বলেন, বর্তমান অবৈধ আওয়ামী সরকার দেশব্যাপী খুনোখুনি, রক্তারক্তির মধ্য দিয়ে যে ভয়ংকর নৈরাজ্য সৃষ্টি করেছে তাতে তাদের যুক্তিসঙ্গত বক্তব্যের উপাদান নি:শেষ হয়ে গেছে। তাই বোবা বা তোতলারা যেমন কথা বলতে না পেরে ক্রোধে সবাইকে অস্থির করে তোলে, আওয়ামী লীগেরও হয়েছে সেই একই অবস্থা। তাই এদের নেতারা কখনো বিএনপিকে বিলুপ্ত করার ঘোষনা দেন, আবার কখনো জিয়া পরিবারের বিরুদ্ধে অলীক কুরুচিপূর্ণ কথা বলেন।
তিনি বলেন, চক্রান্ত, ছলচাতুরী আর নীলনকশাই তাদের টিকে থাকার একমাত্র অবলম্বন। এরা জনভীতিকে উপেক্ষা করার জন্য গডফাদার তৈরী করে। স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী গডফাদারের পরিবারের পাশে থাকার দীপ্ত অঙ্গিকার ঘোষনা করেন মহান জাতীয় সংসদে। প্রধানমন্ত্রী তো জাতীয় সংসদেই গডফাদারদের সম্পর্কে সমালোচনায় ক্ষুদ্ধ বহি:প্রকাশ ঘটিয়ে বলেছেন কে কী বললো, আই ডোন্ট কেয়ার।
বঙ্গবন্ধু হত্যাকান্ডে জিয়াউর রহমানকে দায়ী করার সমালোচনা করে তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী নিজেকে রাষ্ট্রের সকল শক্তির ওপরে নিজেকে ক্ষমতাশালী মনে করেন। সেখানে আইন, বিচার, সাক্ষ্য, প্রমান, তদন্ত, জনমত কিছুই দরকার পড়ে না।’
সংবাদ সম্মেলনে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক এ্যাড. এাসুদ আহমেদ তালুকদার, সহ-দপ্তর সম্পাদক আবদুল লতিফ জনি, আসাদুল করিম শাহীন প্রমূখ।
ঢাকা, এমএইচ,০৭জুন (টাইমনিউজবিডি.কম)//
রাজনীতি
কন্ট্রাক্ট কিলিং চালিয়ে বিএনপিকে নিশ্চিহ্ন করা যাবে না: রিজভী
আইন প্রয়োগকারী সংস্থাকে দিয়ে কন্ট্রাক্ট কিলিং চালিয়ে বিএনপিকে বিলুপ্ত করা যাবে না বলে মন্তব্য করে দলটির যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবীর রিজভী আহমেদ বলেছেন, এরকম রক্তাক্ত প্রক্রিয়া অনুসরণ করে তারা অতীতেও চেষ্টা করে দেখেছেন, ফলে কী পরিণতি হয়েছিল তা দেশবাসী জানে





