এসব নাগরিকরা তফসিল বাতিলের দাবিতে ১৪১ জন সাবেক কর্মকর্তার বিবৃতিকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত, অসত্য ও বিভ্রান্তিকর বলে উল্লেখ করেছেন।
শুক্রবার (২৪ নভেম্বর) গণমাধ্যমে তফসিল বাতিলের দাবির বিরুদ্ধে একটি পাল্টা বিবৃতি পাঠান তারা।
এতে বলা হয়, নির্বাচন কমিশন তফসিল ঘোষণার আগে সব স্টেকহোল্ডারের সঙ্গে বহুবার আলোচনা করেছে এবং নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলগুলোকে কমিশনের সঙ্গে মতবিনিময়ের জন্য একাধিকবার আমন্ত্রণ জানিয়েছে।
কমিশনের এই আহ্বানে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল অংশ নিলেও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল ও সমমনা দলগুলো কমিশনের সঙ্গে আলোচনা করেনি।
এমনকি তাদের কমিশন থেকে পৃথকভাবে আমন্ত্রণ জানানো হলেও তারা সে আলোচনায় সাড়া দেয়নি, যা রাজনৈতিক শিষ্টাচার বহির্ভূত।
বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী নির্বাচন কমিশন বিধিসম্মতভাবে তফসিল ঘোষণা করেছে। যেখানে নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে নিবন্ধিত সব দলের অংশ নেওয়ার উন্মুক্ত সুযোগ বিদ্যমান।
তাকে ‘একতরফা তফসিল’ বলার কোনো অবকাশ আছে বলে আমরা মনে করি না।
কীভাবে অবসরপ্রাপ্ত কিছু সরকারি কর্মকর্তা কমিশনের সংবিধান সম্মত তফসিলকে একতরফা তফসিল হিসেবে আখ্যায়িত করে তা বাতিলের জন্য সুপারিশ করেন তা সর্বসাধারণের কাছে বোধগম্য নয়।
এই প্রয়াস বাংলাদেশকে একটি সাংবিধানিক শূন্যতার দিকে ঠেলে দেওয়ার নামান্তর।
সরকারের পদত্যাগের জন্য আন্দোলন, আন্দোলনের নামে অগ্নিসংযোগ, সন্ত্রাস, বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতিসহ অন্যান্য বিচারকদের বাসভবনে হামলা,
কর্তব্যরত পুলিশকে হত্যা করে নিহত পুলিশের হেলমেট খুলে চাপাতি দিয়ে মাথায় কোপানো, সাংবাদিকদের ওপর হামলা, হাসপাতালসহ অন্যান্য স্থাপনায় নাশকতার নিন্দাও জানান তারা।
বিবৃতিতে জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের সাবেক চেয়ারম্যান কাজী রিয়াজুল হক, বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক সাবেক গর্ভনর ড. আতিউর রহমান, সাবেক সচিব কে এইচ মাসুদ সিদ্দিকী,
উজ্জ্বল বিকাশ দত্ত, সাবেক আইজিপি মোহাম্মদ নুরুল হুদা ও ড. হাসান মাহমুদ খন্দকারসহ ৩৮৫ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি স্বাক্ষর করেছেন।
এসএম





