সোমবার (১৩ মার্চ) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে দলটির ভারপ্রাপ্ত সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা এ টি এম মা‘ছুম এ দাবি করেন।
মাওলানা এ টি এম মা‘ছুম বিবৃতিতে বলেন, ‘ইসলামের পাঁচটি মৌলিক স্তম্ভের গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভ হল যাকাত। যাকাত আদায় করা প্রত্যেক সাহেবে নেসাব মুসলমানের ওপর ফরয। আমাদের দেশের ধর্মপ্রাণ মুসলমানগণ সাধারণত পবিত্র রমযান মাসে যাকাত আদায় করে থাকেন। ধর্মপ্রাণ ও বিত্তশালী মুসলমানদের যাকাত আদায়ে উদ্বুদ্ধ করার জন্য বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও ধর্মীয় সংগঠন প্রতি বছরই রমযান মাসে আলোচনা সভা, সেমিনার-সিম্পোজিয়াম আয়োজন করে থাকে। এরই ধারাবাহিকতায় রাজধানী ঢাকার মিরপুরে ‘ইসলামে যাকাতের গুরুত্ব ও তাৎপর্য’ শীর্ষক আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। এই আলোচনা সভা থেকে জামায়াতের নেতাকর্মীসহ ৫৮ জন ধর্মপ্রাণ ও সাধারণ মানুষকে পুলিশ সম্পূর্ণ অন্যায়ভাবে গ্রেফতার করে নিয়ে যায়। এই গ্রেফতারের মাধ্যমে সরকার ইতিহাসের নিকৃষ্টতম নজীর স্থাপন করেছে। আমি এই অন্যায় গ্রেফতারের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।’
বিবৃতিতে তিনি আরও বলেন, শতকরা নব্বই শতাংশ মুসলমানের দেশে এই গ্রেফতারের ঘটনা অনাকাঙ্ক্ষিত, অনভিপ্রেত ও দুঃখজনক। এই গ্রেফতারের মাধ্যমে সরকারের ইসলাম বিরোধী মনোভাব নগ্নভাবে ফুটে উঠেছে। সচেতন দেশবাসী মনে করে, বর্তমান জালেম সরকার মানুষের ধর্মীয় স্বাধীনতা, মানবাধিকার ও আইনের শাসনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল নয়।
তিনি বলেন, দেশবাসী মনে করে গ্রেফতার করে এবং হামলা-মামলা দিয়ে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার ও মানুষের অধিকার আদায়ের এই আন্দোলন দমন করা যাবে না।ধর্মীয় স্বাধীনতা, মৌলিক মানবাধিকার ও গণতন্ত্র হরণকারী জালেম সরকারের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধভাবে প্রতিবাদে সোচ্চার হওয়ার জন্য আমি দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি। সেই সাথে জুলুম-নিপীড়ন বন্ধ করে মিরপুর থেকে জামায়াতে ইসলামীর গ্রেফতারকৃত সকল নেতাকর্মীকে অবিলম্বে মুক্তি দেয়ার জন্য আমি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি।’ প্রেস বিজ্ঞপ্তি
এমআই





