৫ জানুয়ারি নির্বাচনের মাধ্যমে সরকার ষড়যন্ত্র করে গণতন্ত্র হত্যা করেছিল। তারই ধারাবাহিকতায় ঢাকা ও চট্টগাম সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনের নামে আরেকটি ষড়যন্ত্রের আয়োজন করতে যাচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থানীয় কমিটির সদস্য লে. জে. (অব.) মাহবুবুর রহমান।

তিনি বলেন, আমরা মুক্তিযুদ্ধ করেছিলাম গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য। সেই গণতন্ত্রকে নির্বাসনে পাঠিয়েছে বর্তমান সরকার। গণতান্ত্রিক মুক্তির জন্য জনগণকে সাথে নিয়ে জাতীয় ঐক্যের প্রয়োজন বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

মঙ্গলবার জাতীয় প্রেসক্লাব মিলনায়তনে এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।

২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে এ আলোচনা সভার আয়োজন করে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)।

মাহবুবুর রহমান বলেন, দেশের ১৬ কোটি মানুষকে সঙ্গে নিয়ে সংগ্রামের মাধ্যমে যদি এই অবৈধ সরকারকে প্রতিহত করতে পারি তাহলে গণতন্ত্র পূণঃরুদ্ধার সম্ভব।

সরকারের সমালোচনা করে বিএনপির এই নেতা বলেন, সরকার জনগণের স্বতস্ফূর্ত আন্দোলন দমনের নামে ২০ দলীয় জোটের নেতাকর্মীদের খুন, গুম নির্যাতনের নেশায় মেতে উঠেছে।

তিনি বলেন, স্বাধীনতার মূল চেতনা ছিলো গণতন্ত্র কিন্তু সরকার গণতান্ত্রিক রূপের আড়ালে করে স্বৈতান্ত্রিক রূপ ধারণ করেছে। এখন সময় এসেছে এই স্বৈরতন্ত্রের উৎখাতের। আর এ জন্য প্রয়োজন দেশের মানুষের ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন।

আলচনায় অংশ নিয়ে কল্যাণ পার্টির চেয়ারম্যান মেজর (অবঃ) সৈয়দ মোঃ ইব্রাহীম বীরপ্রতীক বলেন, সরকার শুধু জনগণের ভোটাধীকারই হরণ করে নি, বাক স্বাধীনতা হরণ করেছে। এমন কি স্বাভাবিক মৃত্যুর অধিকার পর্যন্ত কেড়ে নিয়েছে।

বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শাহ মোয়াজ্জেম হোসেনের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন, গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্ধ।

কেএইচ