সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে বেআইনী ও অন্যায়ভাবে সাজা দেওয়ার প্রতিবাদ ও তার মুক্তির দাবিতে সুপ্রিম কোর্ট বার ভবনের সামনে জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের উদ্যোগে প্রতিকী অনশন করেছেন আইনজীবীরা।

আজ বুধবার সুপ্রিম কোর্ট বার ভবনের সামনে শতাধিক আইনজীবী খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে এ প্রতিকী অনশনে অংশ নেন।

এতে অংশ নিয়ে সিনিয়র আইনজীবী ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ বলেন, একটি ভুয়া, বানোয়াট ও মিথ্যা মামলায় আমাদের নেত্রীকে সাজা দেয়া হয়েছে। কোনো সাক্ষ্য-প্রমাণ ছাড়া এই মামলায় রায় দেয়া হয়েছে।

জাল-জালিয়াতি করে কোনো রকম কাগজপত্র তৈরি করে বেগম খালেদা জিয়াকে সাজা দেয়া হযেছে। এর বিরুদ্ধে আমরা অবশ্যই আপিল করব।

আজ সাত দিন হয়ে গেলেও রাষ্ট্রযন্ত্রের কারণে আমরা এখনো রায়ের কপি পাইনি। রায় দেয়ার দিন সার্টিফাইড কপি পাওয়ার জন্য আবেদন করেছি, তার পর রোববার, সোমবার, মঙ্গলবার রায় দেয়ার কথা কলা হলেও দেয়া হয়নি।

এটা সরকারের কৌশল যতদিন পারে খালেদা জিয়াকে জেলে রেখে কষ্ট দেয়া হচ্ছে। তিনি যাতে মানসিকভাবে দুর্বল হয়ে পড়েন সেজন্য দীর্ঘদিন জেলে রাখার ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে। কিন্তু আমাদের নেত্রী দুর্বল হবেন না। আদালতের মাধ্যমে আমরা তাকে মুক্ত করে আনব।

মওদুদ আহমদ বলেন, যতদিন খালেদা জিয়া মুক্তি না পাবেন, নির্বাচনের পরিবেশ সৃষ্টি না হবে আমরা আন্দোলন চালিয়ে যাব।

দেশের ৮০ ভাগ মানুষ অপেক্ষায় আছে ভোট দেয়ার জন্য। আমরা শিগগিরই তাকে মুক্ত করে মানুষের ভোটের অধিকার ফিরিয়ে আনব।

আইনজীবী তৈমুর আলম খন্দকারের সভাপতিত্বে প্রতিকী অনশন কর্মসূচিতে অংশ নেন, আইনজীবী ফজলুর রহমান, সুপ্রিম কোর্ট বারের সম্পাদক মাহবুব উদ্দিন খোকন, সাবেক সম্পাদক বদরুদ্দোজা বাদল, সহ-সভাপতি উম্মে কুলসুম রেখা, খালেদা পান্না, মাওলানা আবদুর রকিব, রুহুল কুদ্দুস কাজল, গাজী কামরুল ইসলাম সজল, মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন, শামীমা সুলতানা দিপ্তী, মতিলাল ব্যাপারী, মির্জা আল মাহমুদ প্রমুখ।

এমঅার