ঢাকা মহানগর বিএনপির কার্যালয়ে (ভাসানী ভবন) দু’পক্ষের মধ্যে গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে।শুক্রবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে এ গোলাগুলি হয়। মহানগরের ক্যান্টনমেন্ট থানা বিএনপির ১৫ নম্বর ওয়ার্ড কমিটি গঠন নিয়ে সৃষ্ট বিরোধে এই ঘটনা ঘটে।
কমিটি গঠন নিয়ে বসা বৈঠকে দু’পক্ষ হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়লে কিল-ঘুসিতে আহত হন অন্তত ১৫ নেতাকর্মী। এ সময় সেখানে চেয়ার ও কার্যালয়ের আসবাবপত্র ভাঙচুর করা হয়।
মহানগর বিএনপির ওই অফিসে ক্যান্টনমেন্ট থানার ১৫ নম্বর ওয়ার্ড কমিটি গঠন নিয়ে স্থানীয় নেতাদের নিয়ে বৈঠকে বসেছিলেন মহানগরের দায়িত্বপ্রাপ্তরা। এ সময় ক্যান্টনমেন্ট থানার বর্তমান সাধারণ সম্পাদক লিয়াকত হোসেনের গ্রুপের সঙ্গে রশিদ গ্রুপের লোকজনের কথা কাটাকাটি হয়। প্রথমে কিল-ঘুষি এবং পরে চেয়ার ও আসবাবপত্র ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। একপর্যায়ে কয়েক রাউন্ড গুলির ঘটনা ঘটে।
পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে নূরুন্নবীসহ আরও ছয়জনকে আটক করে পল্টন থানায় নিয়ে যায়।
ওই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন নবগঠিত মহানগর কমিটির সদস্য এস এম জিলানী এবং মহানগর কমিটির সদস্য ও খিলগাঁও থানা বিএনপির সভাপতিইউনূস মৃধা।
ইউনূস মৃধা ঘটনা সম্পর্কে বলেন, ক্যান্টনমেন্ট থানার ১৫ নম্বর ওয়ার্ড কমিটি গঠনে বৈঠক চলছিল। সেখানে উপস্থিত নেতাদের মধ্যে ৩৩ জনের বক্তব্য আমরা শুনেছি। হঠাৎ করে কয়েকজন সেখানে ঢুকে ঝামেলা শুরু করে। অবস্থা বেগতিক দেখে বৈঠক মুলতবি ঘোষণা করে আমারা চলে আসি।
ইউনূস মৃধা আরও বলেন, গোলমাল করা লোকদের আমি চিনি না। পরে শুনেছি রশিদ নামের আওয়ামী লীগের এক লোক এ ঘটনা ঘটিয়েছে। পুলিশ কয়েকজনকে আটক করে থানায় নিয়ে গেছে।
ইআর





