বাংলাদেশের সংখ্যালঘু সম্প্রদায় এ সরকারের হাতে চরমভাবে নিগৃহীত, নির্যাতিত ও অনিরাপদ বলে মনে করছে বাংলাদেশ ন্যাপ চেয়ারম্যান জেবেল রহমান গানি।

এদিকে, রানা দাস গুপ্ত ও পিযূষ বন্দ্যোপাধ্যায় বাংলাদেশের সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা বিধানের জন্য নরেন্দ্র মোদীর হস্তক্ষেপ কামনা করে প্রদত্ত বক্তব্যে বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি-বাংলাদেশ ন্যাপ চেয়ারম্যান জেবেল রহমান গানি ও মহাসচিব এম. গোলাম মোস্তফা ভুইয়া গভীর উদ্বেগ ও উৎকন্ঠা ও চরম বিস্ময় প্রকাশ করেছে।

ন্যাপ চেয়ারম্যান বলেছেন, পিযূষ ও রানা দাস গুপ্তদের এই ধরনের রাষ্ট্র বিরোধী বক্তব্য কি ইঙ্গিত বহন করছে। তারা এই সকল রাষ্ট্র বিরোধী বক্তব্য দিয়ে দেশটাকে কোথায় নিয়ে যেতে চাচ্ছেন।

বাংলাদেশের সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা বিধানের দায়িত্ব রাষ্ট্র ও সরকারের। আর এই দায়িত্ব পালন করতে অন্যকোন রাষ্ট্রের প্রধানমন্ত্রীকে আমন্ত্রন কি বাংলাদেশের আভ্যন্তরীণ বিষয়ে অবাঞ্চিত হস্তক্ষেপের আহ্বান নয় ? এই আহ্বান কি রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে অবস্থান গ্রহন নয় ?

বিবৃতিতে নেতৃদ্বয় আরো বলেন, সরকারের ব্যর্থতা ও অপকর্মের কারণে আজ সংখ্যালঘুরা যখন চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভূগছে।

পিযূশ আর রানা দাসগুপ্তের আহ্বান সমগ্র জাতিকে লজ্জিত ও উৎকন্ঠিত করছে। এ ঘটনার মাধ্যমে প্রমাণিত হচ্ছে যে, দেশের সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ও এ সরকারের হাতে চরমভাবে নির্যাতিত ও অনিরাপদ।

এ সরকার কার্যত তাদের নিরাপত্তার জন্য কোন কিছু করার সামর্থ রাখে না এ অনাস্থাই ফুটে উঠেছে। এটা জাতির জন্য চরম লজ্জাজনক এবং সরকারের জন্য তাদের ব্যর্থতার দলিল হিসেবে রেকর্ড হয়ে থাকবে।

অন্যদিকে কোন স্বাধীন রাষ্ট্রের আভ্যন্তরিন বিষয়ে অন্য রাষ্ট্রের সরকারের হস্তক্ষেপের কামনা একটি স্বাধীন দেশের নাগরিকদের জন্য অকল্পনীয়, অগ্রহণযোগ্য এবং লজ্জাকর।

রানা দাস গুপ্ত ও পিযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়ের বক্তব্য আইনের দৃষ্টিতে কোন পর্যায়ে পড়ে এবং তা বিবেচনায় নেওয়ার দায়িত্ব ব্যর্থ সরকারের উপরেই বর্তায়।

এসএম