আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ এমপি বলেছেন, এক সময় মানুষ মনে করতো বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচার হবে না, যুদ্ধাপরাধীদের বিচার হবে না। কিন্তু আওয়ামী লীগ সে বিচার করেছে। জনগণকে দেয়া ওয়াদা অনুযায়ী ধারাবাহিকভাবে সব যুদ্ধাপরাধীর বিচার করতে আওয়ামী লীগ প্রতিজ্ঞাবদ্ধ।

তিনি বলেন, জামায়াতকে নিষিদ্ধের বিষয়টি আদালতে বিচারাধীন। আদালত এ বিষয়ে রায় দিলে সে ব্যাপারে সরকার সিদ্ধান্ত নেবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা একমাত্র আল্লাহ ছাড়া কাউকে ভয় পান না। আজ বুধবার আওয়ামী লীগ সভাপতির ধানমন্ডির রাজনৈতিক কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে হাছান মাহমুদ একথা বলেন।

এর আগে দলটির ২০তম জাতীয় সম্মেলন সফল করতে গঠিত প্রচার উপ কমিটির বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এতে আওয়ামী লীগের উপ প্রচার সম্পাদক অসীম কুমার উকিল, ডাক ও টেলিযোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম, সাবেক ছাত্রলীগ নেত্রী মারুফা আক্তার পপিসহ কমিটির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। হাছান মাহমুদ বলেন, জামায়াতে ইসলামীর আমির মতিউর রহমান নিজামীর ফাঁসি কার্যকর হওয়ায় মহান মুক্তিযুদ্ধে ৩০ লাখ শহীদের আত্মা শান্তি পেয়েছে।

এই রায়ের মাধ্যমে জাতিকে দেয়া ওয়াদা বাস্তবায়ন হচ্ছে। বাকি যুদ্ধাপরাধীদেরও ধাপে ধাপে বিচার করতে চায় আওয়ামী লীগ সরকার। বিএনপির বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের কঠোর সমালোচনা করে তিনি বলেন, বাংলাদেশের পাসপোর্ট নিয়ে ইসরাইলে যাওয়া যায় না।

এমনকি বাংলাদেশসহ বিশ্বের অনেক মুসলিম দেশের সাথে ইসরায়েলের কুটনীতিক সম্পর্ক নেই। কারণ দেশটি ফিলিস্তিনসহ মুসলিম দেশের বিরুদ্ধে সর্বদাই ষড়যন্ত্রে লিপ্ত। অথচ সেই দেশের গোয়েন্দা সংস্থার (মোসাদ) প্রধান লিউকিয়ান তাপাহির সাথে বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব আসলাম চৌধুরী বৈঠক করেছেন। এটা প্রমাণ করে বিএনপি শুধু বাংলাদেশের বিরুদ্ধেই ষড়যন্ত্র করছে না সমগ্র মুসলিম বিশ্বের বিরুদ্ধে চক্রান্ত করছে। ক্ষমতায় যেতে দলটি যেকোনো চক্রান্তে মেতে উঠেছে।

সম্মেলন উপলক্ষে প্রচার-প্রচারণা সম্পর্কে ড. হাছান মাহমুদ বলেন, এবারের সম্মেলন সফল করতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের প্রচার-প্রচারণাকে আমরা গুরুত্ব দিচ্ছি। এ লক্ষ্যে কয়েক দিনের মধ্যেই সম্মেলন সক্রান্ত একটি ফেইসবুক পেজ করে তার মাধ্যমে প্রচারণা চালানো হবে। সংবাদ সম্মেলনের শুরুতে তিনি সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী প্রমোদ মানকিনের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করে তার পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান।

এমআর