বিএনপির নেতৃত্বাধীন ২০-দলীয় জোটের আন্দোলনকে আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসী সংগঠন আইএসের সঙ্গে তুলনা করে দলটির সঙ্গে কোনো সংলাপ বা আলোচনায় যাবে না বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছে আওয়ামী লীগ। একই সঙ্গে নাশকতায় জড়িত প্রত্যেকের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে।
শুক্রবার রাতে গণভবনে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত হয়।
বৈঠক শেষে দলের সাধারণ সম্পাদক ও স্থানীয় সরকারমন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম সংবাদ ব্রিফিং করে এ সিদ্ধান্তের বিষয়টি জানান।
বিএনপি- জামায়াতের টানা অবরোধ কর্মসূচির ৩১ দিন পর এ নিয়ে এই প্রথম আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী সংসদের বৈঠক হলো। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে সন্ধ্যা সাতটায় বৈঠক শুরু হয়ে তা রাত ১০টায় শেষ হয়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সূচনা বক্তব্য গণমাধ্যমের জন্য উন্মুক্ত ছিল। এরপর রুদ্ধদ্বার বৈঠক হয়।
বৈঠকে দলীয় সভানেত্রী শেখ হাসিনা ও সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফ দেশের বর্তমান পরিস্থিতিতে দলীয় অবস্থান সম্পর্কে বক্তব্য দেন। তাদের বক্তব্যের সঙ্গে সবাই একমত পোষণ করেন। এরপর সাংগঠনিক অন্যান্য বিষয়েও আলোচনা হয়।
সৈয়দ আশরাফ বলেন, ‘জর্ডানের পাইলটকে পুড়িয়ে মারা হয়েছে। আমাদের দেশেও এ ধরনের ঘটনা প্রতিদিনই ঘটছে। এটা আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসবাদ। তাই বর্তমান পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকার কঠোরভাবে নাশকতাকারীদের দমন করবে। যেভাবেই হোক এদের সর্বশক্তি দিয়ে মোকাবিলা করা হবে।’
তিনি বলেন, এই পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে না পারলে দেশের অবস্থা আরও ভয়াবহ হবে। বর্তমান পরিস্থিতিতে এখানে আইএস জঙ্গি আসতে পারে।
বৈঠকে উপস্থিত একাধিক নেতা জানান, বৈঠকে সাংগঠনিক বিষয়ে আলোচনায় গাজীপুর মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি হিসেবে আজমত উল্লাহ খান ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে জাহাঙ্গীর আলমের নাম ঘোষণা করেন শেখ হাসিনা। ঢাকা বিভাগের সাংগঠনিক সম্পাদক আহমদ হোসেন আগামী মার্চের মধ্যে বিভাগের সব জেলা সম্মেলন শেষ হবে বলে জানান। শেখ হাসিনা এপ্রিলের মধ্যে সারা দেশের জেলা সম্মেলন শেষ করার নির্দেশ দেন।
জেএ





