স্থানীয় নেতাদের উদ্দেশ্যে কৃষিমন্ত্রী বেগম মতিয়া চৌধুরী বলেছেন, থানায় গিয়ে তদবির করবেন না। যদি নিরাপরাধ হয়, কোর্ট-কাচারি থেকে বেরিয়ে আসবে। কিন্তু থানায় গিয়ে টেবিল চাপড়িয়ে আসামী বের করে আনা- এই ব্যাটাগিরিটা মোটেই করবেন না।
আবার এটাও বলি, থানা যদি গাফিলতি করে, ওসি সাহেব যদি মনে করেন- এখন যা খুশি তাই করতে পারব- না, সেটাও কইরেন না। সময়মতো কানে আসবে, আর সেটা আসলে পরে কি হতে পারে সেটাও একটু বুইঝা দেখেন। সবকিছুই আমাদের বুঝে চলতে হবে, মাপ মতো চলতে হবে।
রোববার দুপুরে শেরপুরের নালিতাবাড়ীর উপজেলার বিন্নিবাড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত ভিজিএফ’র চাল ও ঈদুল ফিতর উপলক্ষে শাড়ি-থ্রিপিচ-ট্রাউজার বিতরণকালে কৃষিমন্ত্রী বেগম মতিয়া চৌধুরী এসব কথা বলেন।
তিনি আরও বলেন, ৯৬ সালে ৪০ লাখ টন খাদ্য ঘাটতি নিয়ে আমরা যাত্রা শুরু করি। তখনও তিনি (শেখ হাসিনা) ভিজিএফ দিয়েছেন। আর ৯৮ সালের বন্যার সময়তো দেখছেনই, একটানা ৬ মাস ২০ কেজি করে ভিজিএফ দেওয়া হয়েছে। বিবিসি বলছিলো যে, ২ কোটি লোক না খেয়ে মারা যাবে। খালেদা জিয়াও বলেছেন। ২ কোটি মানুষতো দূরের কথা ২টা পিঁপড়াও না খেয়ে মরে নাই।
এদিন মন্ত্রী উপজেলার ৪ ইউনিয়ন এবং এক পৌরসভার প্রায় ৭ হাজার লোকের মাঝে ভিজিএফ এর চাল, এবং প্রধানমন্ত্রী ও নিজ তহবিল থেকে দুঃস্থদের মাঝে এবং মেধাবী ছাত্রীদের মাঝে শাড়ি-থ্রিপিস,ট্রাউজার-গেঞ্জি ইত্যাদি বিতরণ করেন।
এসময় মন্ত্রীর সাথে শেরপুরের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ফরিদ আহাম্মদ,অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আব্দুল ওয়ারিশ,নালিতাবাড়ী উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান একেএম মুখলেছুর রহমান রিপন,ভাইস চেয়ারম্যান আছমত আরা আছমা,উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তরফদার সোহেল রহমানসহ প্রশাসনের কর্মকর্তা ও দলীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
এফএফ





