[b]ঢাকা:[/b] বিএনপির পূর্বঘোষিত সমাবেশে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী অসহযোগিতা করেছে বলে অভিযোগ করেছে বিএনপি। দলটি বলছে, ২০ জানুয়ারি রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে গণসমাবেশের জন্য ১৬ জানুয়ারি অনুমতি চেয়ে মাইক ও নিরাপত্তার জন্য আবেদন করলেও অনেক পরে এসে অনুমতি দিয়েছে। এজন্য কর্মসূচি নিয়ে নেতাকর্মীরা দিধাদ্বন্দ্বে রয়েছে বলেও দাবি দলটির।
রোববার রাত ৮টায় বিএনপির আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক আসাদুজ্জামান রিপন নয়াপল্টনে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে দলের পক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব অভিযোগ করেন ।
তিনি বলেন, ‘সমাবেশের ঠিক ১৮ ঘন্টা আগে অনুমতি দিলেও সমাবেশ সফল করতে এ স্বল্প সময়কেই চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিয়েছে বিএনপি। জনগন যেভাবে ৫ জানুয়ারির নির্বাচন বর্জন করেছে সেভাবে সোমবারের সমাবেশেও উপস্থিত হয়ে সরকারের প্রতি অনাস্থা জানাবে। সমাবেশ শান্তিপূর্ণ হবে বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।
এক প্রশ্নের জবাবে রিপন জানান, সোমবারের গনসমাবেশ শুধু বিএনপির কর্মসূচি। সমাবেশে ঢাকাবাসীসহ সারাদেশের জনগনকে দুপুর ২টার মধ্যে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে আসারও আহ্বান জানান তিনি।
সাবেক চীফ হুইপ ও বিএনপির প্রচার সম্পাদক জয়নুল আবেদিন ফারুক টাইম নিউজকে জানিয়েছেন, সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের আগামীকালের সমাবেশ শুধু বিএনপির। এটা ১৮ দলের কোন কর্মসূচি নয়।
এর আগে সন্ধ্যা ৭ টায় বিএনপি নেতৃত্বাধীন ১৮ দলীয় জোটের পূর্বঘোষিত সমাবেশের অনুমতি দেয় ডিএমপি। সোমবার রাজধানীর সোহরাওয়ার্দীতে এ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে।
৫ জানুয়ারির নির্বাচনে জনগন ভোট ‘বর্জন’ করায় তাদের আনুষ্ঠানিকভাবে ধন্যবাদ ও অভিনন্দন জানাতে কেন্দ্রীয়ভাবে রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে এ গণসমাবেশের আয়োজন করা হয়েছে। বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া এ সমাবেশে বক্তব্য রাখবেন। দশম সংসদ নির্বাচনের পর সোমবারের সমাবেশটি হবে খালেদা জিয়ার প্রথম কোনো কর্মসুচি।
এছাড়া ওই দিন পূর্বঘোষিত কর্মসুচির অংশ হিসেবে সারাদেশে বিএনপির উদ্যোগে বিভাগ, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে গনসমাবেশ ও শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত হবে।