চট্টগ্রামের লোহাগাড়ার সরকার দলীয় সংসদ সদস্য আবু রেজা মুহাম্মদ নেজামউদ্দিনকে জুতা মারার ঘটনায় তিনহাজার লোকের বিরুদ্ধে মামলা করেছে পুলিশ। ঘটনায় জড়িত থাকার সন্দেহে শনিবার ২১ জনকে আটক করা হয়েছে।
মামলায় আসামি করা হয়েছে জামায়াত নেতা ও সাবেক এমপি মাওলানা শামসুল ইসলামকেও। এ ছাড়া মামলায় ১২৫ জন জামায়াত-শিবির নেতার নাম উল্লেখ করা হয়।
ঘটনার ১৭ ঘণ্টা পর শনিবার বিকেলে মামলাটি দায়ের করা হয় বলে জানান লোহাগাড়া থানার ওসি মোহাম্মদ শাহজাহান কবির। এমপিকে হত্যাচেষ্টা ও বিস্ফোরক আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে বলে তিনি জানিয়েছেন।
উল্লেখ্য,শুক্রবার রাত ৮টার দিকে লোহাগাড়া উপজেলার চুনতি ইউনিয়নের শাহ মঞ্জিল এলাকায় ১৯ দিনব্যাপী সিরাতুন্নবী (সা.) মাহফিলের শেষদিনে প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দেন ড. আবু রেজা মুহাম্মদ নেজামউদ্দিন নদভী এমপি। এসময় তিনি মঞ্চে উঠার সাথে সাথে হাজার হাজার মুসল্লি তাকে লক্ষ্য করে জুতা ও ইটপাটকেল নিক্ষেপ করেন। অবস্থা বেগতিক দেখে এমপি নদভী মঞ্চ থেকে দ্রুত নেমে স্থানীয় মসজিদে আশ্রয় নেন। ক্ষুব্ধ জনতা সেখানে তাকে অবরুদ্ধ করে রাখে। এর আগে মঞ্চে বক্তব্য আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতা আমিনুল ইসলাম আমিন।
পরে রাত সাড়ে ১২টার দিকে বিপুল সংখ্যক পুলিশ,বিজিবি ও  র্যাইব সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে নদভীকে উদ্ধার করে চট্টগ্রাম শহরে নিয়ে যায়। জানা গেছে তাকে উদ্ধার করতে গেলে জনতার প্রতিরোধে এবং সংর্ঘষে পুলিশ বেশ কয়েক রাউন্ড গুলি চালায়।
জানা গেছে আবু রেজা মোহাম্মদ নেজাম উদ্দিন নদভী এক সময় জামায়াত নেতা এবং গোলাম আজমের শীষ্য হলেও সম্প্রতি তিনি দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ থেকে এমপি নির্বাচিত হন।
ঢাকা, ২ ফেব্রুয়ারি (টাইমনিউজবিডি.কম)//এসএমএ