তথ্যমন্ত্রী ও জাসদ সভাপতি হাসানুল হক ইনু (এমপি) বলেছেন, আমরা সাইবার জগতকে নিরাপদ করতে ও সাইবার অপরাধীদের মোকাবেলা করার জন্য একটি সাইবার অপরাধ আইন তৈরি করছি। সেটি হওয়ার পরেই ৫৭ ধারার দরকার আছে কি নাই তখন বিবেচনা করা হবে। এই মুহুর্তে ৫৭ ধারা নিয়ে কারো কোন প্রস্তাব থাকলে আলোচনা হতে পারে।
বৃহস্পতিবার দুপুর দেড়টায় কুষ্টিয়ার ভেড়ামারায় পাইলট মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগীতার পুরস্কার বিতরণ, জিপিএ-৫ প্রাপ্তদের সংবর্ধনা ও অভিভাবক সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তথ্যমন্ত্রী বলেন, খালেদা জিয়া ও তারেকের বিরুদ্ধে শেষ আঘাত হানতে আমাদের ইষ্পাত কঠিন ঐক্য দরকার। এখন আমাদের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টির সময় নয়। চূড়ান্ত বিজয় এখন আমাদের সামনে। এখন আমাদের হিংসা-বিদ্বেষ পরিহার করে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ইষ্পাত কঠিন ঐক্য গড়ে তুলতে হবে।
তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশকে, সংবিধানকে, গণতন্ত্রকে নিরাপদ করতে, সন্ত্রাসী, জঙ্গীবাদ, আগুন সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে আমাদের যে লড়াই চলছে, সেই লড়াই এর শেষ প্রান্তে এখন আমরা। আমরা ৭১’র খুনি, ৭৫’র খুনিদের যেভাবে শায়েস্তা করেছি, সেই ভাবে ২১শে আগস্টের খুনিদের, পরিকল্পনাকারীদেরও শক্ত হাতে শায়েস্তা করতে চাই। আর সে ক্ষেত্রে অপরাধী যেই হোক না কেন তাদেরকে রেহাই দেয়া হবে না।
যারা খালেদা জিয়াকে আগুন সন্ত্রাসের হাত থেকে বাঁচাতে যাচ্ছেন অথবা তারেক জিয়া ২১শে অগাস্ট গ্রেনেড হামলার আসামি থেকে রক্ষা করতে চাইছেন তারা গণতন্ত্রের জন্য শুভ নয়। তাদের আন্তরিকতায় গলদ আছে।
বিদ্যালয় পরিচালনা পরিষদের সভাপতি আফরোজা হক রিনার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ভেড়ামারা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শান্তি মনি চাকমা, জেলা জাসদের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল আলীম স্বপন, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা জুলফিকার হায়দার, উপজেলা জাসদের সাধারণ সম্পাদক এসএম আনছার আলী, ভেড়ামারা পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মতিয়ার রহমান প্রমুখ।
কেএইচ





