বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়া বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী রাজনীতি বিষয়ে সব সময় উচ্চ কন্ঠে কথা বললেও গাজা'র মহিলা ও শিশুদের ওপর নির্বাচারে হামলায় নীরব কেন? সেটি আমার বোধগম্য নয়। তিনি যদি হামলার প্রতিবাদে যথাযথ উদ্যোগ গ্রহণ করতেন তাহলে দেশের সবাই সেই কর্মসূচীতে অংশগ্রহন করতেন।
শনিবার দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে স্বাধীনতা ফোরাম আয়োজিত ফিলিস্তিনিদের ওপর ইসরাইলের বর্বরোচিত হামলা ও গণহত্যা অবিলম্বে বন্ধ করার দাবিতে মানববন্ধনে তিনি এসব কথা বলেন।
রফিকুল ইসলাম মিয়া বলেন, বিশ্ব বিবেক নীরব। যারা মানবতার জয়গান করে রাস্তায় নামে তারা গাজায় হামলার বিষয়ে তেমন সোচ্চার নয়। সেখানে কোন চিকিৎসা সেবা ও পানির ব্যবস্থা নেই। প্রতিনিয়ত অবলা নারী ও নিষ্পাপ শিশুদের হত্যা করা হচ্ছে। বিশ্ব বিবেক দেখেও না দেখার ভান করছে।
তিনি বলেন, মধ্যপ্রাচ্য তেল সরবরাহকারী দেশ। তাদের হামলা বন্ধের কোন ভূমিকা নেই। গাজার পাশেই মিশর অবস্থিত। তাদের কর্মকাণ্ড দেখে মনে হয় তারাও হামাসকে ধ্বংস করার জন্য ষড়যন্ত্র করছে।
বিএনপির এই শীর্ষ নেতা বলেন, বিশ্বে আজ গণতন্ত্র ও মানবাধিকারের যেন কোনো মূল্য নেই। গাজায় ইসরাইলী বাহিনী শুধু মুসলমান হত্যা করেনি তারা নিরপরাধ মানুষকে হত্যা করছে।
বিশ্ব মানবতাকে গাজায় হত্যা বন্ধের প্রতিবাদে সোচ্চার হ্ওয়ার আহবান জানিয়ে বলেন, বিশ্ব মানবতা এক হলে গাজার এই হামলা বন্ধ করা সম্ভব। এজন্য বিশ্ব নেতৃবৃন্দকে গাজায় ইসরাইলি হামলা বন্ধে আরও কার্যকর পদক্ষেপ নেয়ার জন্য জোর দাবীও জানান তিনি।
মানববন্ধনে স্বাধীনতা ফোরামের নেতাকর্মী ছাড়াও অনেক শিশু-কিশোররাও অংশগ্রহণ করে।
আয়োজক সংগঠনের সভাপতি আবু নাসের রহমাতুল্লার সভাপতিত্বে আরো বক্তব্য রাখেন, বিএনপির শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক খায়রুল কবির খোকন, সহ-স্বেচ্ছাবিষয়ক সম্পাদক এবি এম মোশাররফ হোসেন, জিয়া নাগরিক ফোরামের সভাপতি মিয়া মোহাম্মাদ আনোয়ার প্রমুখ।
ঢাকা,এমএইচ,০২ আগস্ট, টাইমনিউজবিডি.কম, এএইচ





