দেশবরেণ্যকবি, সাংবাদিক ও কলামনিস্ট ফরহাদ মজহারকে চোখ বেঁধে মাইক্রোবাসে করে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়েছিলো বলে জানায় গোয়েন্দা পুলিশ। সোমবার ভোরে ওষুধ কিনতে বাসা থেকে বের হলে পথিমধ্যে এ ঘটনা ঘটে।
মঙ্গলবার (০৪ জুলাই)মিন্টো রোডের ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারে সংবাদ সম্মেলনে ফরহাদ মজহারের বরাত দিয়ে এ কথা জানিয়েছেন মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের যুগ্ম কমিশনার আবদুল বাতেন। তিনি জানান, এরপর সন্ধ্যার দিকে তার চোখের বাঁধন খুলে দেয়া হয়।
গোয়েন্দা কার্যালয়ে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি নিতে ফরহাদ মজহারকে আদালতে নেয়া হয়েছে। সংবাদ সম্মেলনে উর্ধতন এই পুলিশ কর্মকর্তা জানান, তার বক্তব্যের ভিত্তিতেই পররবর্তীতে তদন্ত পরিচালনা করা হবে।
ফরহাদ মজহারের পরিবারের পক্ষ থেকে অপহরণের মামলা হয়েছে উল্লেখ করে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, কে কি বললো সেটা বিষয় না। ভিকটিমের বক্তব্যের ওপর ভিত্তি করে তদন্ত করা হবে। প্রাথমিকভাবে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। তাকে আদালতে হাজির করে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি নেওয়া হবে।
তবে ডিবি অফিস প্রাঙ্গণে ফরহাদ মজহারের স্ত্রী ফরিদা আখতার সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে বলেন, পরিবারের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো মামলা করা হয়নি। গতকাল ‘অপহরণের’ বিষয়টি জানার পর থানায় সাধারণ ডায়েরি করা হয়েছে। ডায়েরির অভিযোগটি পুলিশ মামলা বলছে কিনা তা স্পষ্ট নয়।
গতকাল সোমবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে যশোরের অভয়নগরে খুলনা থেকে ঢাকাগামী হানিফ পরিবহনের একটি বাস থেকে উদ্ধার করা হয় ফরহাদ মজহারকে। স্বজনেরা অভিযোগ করেন, গতকাল ভোরে কে বা কারা ফরহাদ মজহারকে রাজধানীর শ্যামলীর হক গার্ডেনের বাসার সামনে থেকে তুলে নিয়ে গেছে।
মঙ্গলবার সকালে পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নেতৃত্বে একটি দল ফরহাদ মজহারকে ঢাকায় নিয়ে আসে। তাঁকে সকাল ৯টার দিকে আদাবর থানায় নেওয়া হয়। সাড়ে ৯টার দিকে তাকে সেখান থেকে ডিবি অফিসে নিয়ে যাওয়া হয়।
এমবি





