বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদের ইন্তেকালে তার প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে আগামীকাল (১৮ মার্চ) বৃহস্পতিবার ঢাকাসহ সারাদেশে শোক পালনের কর্মসূচি ঘোষণা করেছে বিএনপি।
বুধবার (১৭ মার্চ) দলের সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী এই কর্মসূচি ঘোষণা করেন।
রুহুল কবির রিজভী বলেন, আমাদের প্রিয় নেতা, অনন্য স্বাধীনতা সংগ্রামী, স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের ভাষ্যকার, বিশিষ্ট মুক্তিযোদ্ধা, আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন দেশের বরেণ্য আইনজীবী ও প্রথিতযশা রাজনীতিবিদ ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ মঙ্গলবার আমাদের ছেড়ে চলে গেছেন। তার মৃত্যুতে বিএনপি বৃহস্পতিবার, ১৮ মার্চ ঢাকাসহ সারাদেশে শোক পালন করবে। এ উপলক্ষে দলীয় পতাকা অর্ধনমিত থাকবে এবং কালো পতাকা উত্তোলন করা হবে।
তিনি জানান, ব্যারিস্টার মওদুদের কফিন বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় দেশে আসবে। শুক্রবার সকাল ১১টায় নয়া পল্টনে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। এরআগে সকাল ১০টায় হবে সুপ্রিম কোর্ট প্রাঙ্গণে। এরপর নোয়াখালীতে গ্রামের বাড়িতে তাকে দাফন করা হবে।
সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও উপ-রাষ্ট্রপতি, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মওদুদ আহমদ ইন্তেকাল করেছেন। (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।
মঙ্গলবার (১৬ মার্চ) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় সিঙ্গাপুরে মাউন্ট এলিজাবেদ হাসপাতালে তিনি ইন্তেকাল করেন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৮২ বছর।
গত ০২ ফেব্রুয়ারি সিঙ্গাপুরে মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতালে ভর্তি হন মওদুদ। এরপর ১০ মার্চ সেখানে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) নেয়া হয়।
এর আগে বুকে ব্যথা ও শ্বাসকষ্ট দেখা দিলে দুই দফায় মওদুদ আহমদকে ঢাকার এভার কেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখান তাঁর ফুসফুসে পানি জমে যায়। পরে এভার কেয়ার হাসপাতাল থেকে তাঁকে সিঙ্গাপুর মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সিঙ্গাপুরে আছেন স্ত্রী হাসনা মওদুদ আহমেদ।
মওদুদ আহমদ আইনমন্ত্রী, প্রধানমন্ত্রী এবং উপরাষ্ট্রপতি ছিলেন। এরশাদ সরকারের উপ-রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী ছিলেন ব্যারিস্টার মওদুদ আহমেদ। তবে এর আগে তিনি বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা সদস্যদের একজন। জিয়াউর রহমানের শাসনামলে সরকারের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন।
এমবি





