ছাত্রশিবির যশোর জেলা সভাপতি রাফিদ হাসান, শিবির কর্মী আবুল কাসেম ও তরিকুল ইসলামকে গ্রেপ্তারের পর ৪ দিন পেরিয়ে গেলেও আদালতে হাজির না করায় উদ্বেগ প্রকাশ এবং অনতিবিলম্বে তাদের সন্ধান দাবি করে বিবৃতি প্রদান করেছে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির।
এক যৌথ বিবৃতিতে ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি ইয়াছিন আরাফাত ও সেক্রেটারি জেনারেল মোবারক হোসাইন বলেন, গত ১ই জুন সকাল ৮টায় বেনাপোল পোর্ট থানার কাগজপুকুর দক্ষিণপাড়া প্রাইমারি স্কুলের সামনে থেকে এএসআই জহিরের নেতৃত্বে তাদের গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
তাৎক্ষণিক ভাবে থানায় যোগাযোগ করা হলে পুলিশ তাদের গ্রেপ্তারের বিষয়টি স্বীকার করে। গ্রেপ্তারকৃতদের পরিবারের কাছেও গ্রেপ্তারের কথা স্বীকার করে তারা থানায় আছে জানানো হয়। গ্রেপ্তারের পর তাদের আদালতে হাজির করার কথা।
কিন্তু গ্রেপ্তারের পর ৪ দিন পেরিয়ে গেলেও অজ্ঞাত কারণে এখন পর্যন্ত তাদের আদালতে হাজির করা হয়নি। কেন হাজির করা হচ্ছেনা তাও স্পষ্ট করে বলছে না পুলিশ।
বিবৃতিতে তারা আরও বলেন, 'আমরা বিশ্বস্ত সুত্রে জানতে পেরেছে তাদেরকে যশোর ডিবি কার্যালয়ে রাখা হয়েছে। তাদের অন্যায় ভাবে গ্রেপ্তার করে আদালতে না তোলা বেআইনি ও মানবাধিকারের লঙ্ঘন। গ্রেপ্তারের পর আদালতে না তোলার পেছনে কোন ষড়যন্ত্র লুকিয়ে আছে কি না তা নিয়ে আমরা সন্দিহান। কেননা এর আগেও পুলিশ একইভাবে গ্রেপ্তারের পর অস্বীকার করে ছাত্রদের হত্যা ও নাটক সাজিয়েছে। '
নেতৃবৃন্দরা সরকারকে হুঁশিয়ারি করে বলেন, 'পবিত্র রমজানেও সরকার জননিরাপত্তার বদলে গ্রেপ্তার ও গুম করে সারাদেশে ছাত্রজনতার মাঝে আতঙ্ক ছড়িয়ে দিচ্ছে। যা সম্পূর্ণ অমানবিক কাজ। আমরা স্পষ্ট করে বলতে চাই, শিবির নেতাদের নিয়ে কোন প্রকার নাটক বা তাদের সামান্যতম ক্ষতি ছাত্রশিবির মেনে নিবে না।
অবিলম্বে আমরা গ্রেপ্তারকৃত শিবির নেতাদের অবস্থান নিশ্চিত ও নিঃশর্ত মুক্তি দিতে প্রশাসনের প্রতি জোর দাবি জানাচ্ছি। সেইসাথে সারাদেশে নেতাকর্মীদের উপর চলমান হামলা মামলা বন্ধের দাবি জানাচ্ছি। '
জেড





