শুক্রবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে এক সমাবেশে তিনি এ কথা বলেন।

মতপ্রকাশের স্বাধীনতার উপর নগ্ন হস্তক্ষেপ বন্ধ, দৈনিক দিনকাল সহ বন্ধ মিডিয়া খুলে দেয়া এবং ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন সহ সকল কালা কানুন বাতিলের দাবিতে পেশাজীবী পরিষদ এ সমাবেশের আয়োজন করে।

নজরুল ইসলাম খান বলেন, আগামী দিনে আমরা বিজয়ী হব। যেসব পত্রপত্রিকা আওয়ামী লীগ অন্যায়ভাবে বন্ধ করেছে। সব পত্রিকা খুলে দেওয়া হবে। যেসব টিভি চ্যানেল বন্ধ করেছেন সেগুলো খুলে যাবে।

তিনি বলেন, গেল কয়েকটি উপনির্বাচনে সরকার থেকে বলা হয়েছে ভোট পড়েছে ২৪ থেকে ২৫ শতাংশ কিন্তু ভোটের চেয়েও কম পড়েছে। নির্বাচন পর্যালোচনা করে দেখা যায়, আওয়ামী লীগের অনেক কর্মীরাই ভোট দিতে যায়নি। কারন সারাদেশের মানুষের মতো তারা বিশ্বাস করে , ভোট দেয়া না দেয়া একই কথা।

নজরুল খান বলেন, চাটার দল সব খায়, যিনি বলেছিলেন তিনি তো আর নেই। কিন্তু চাটার দল তো রয়েছে। যেখানে যা পায় তারা সব খায়, কাবিখা , গরিব মানুষের ভাতা, শেয়ার মার্কেট খেয়েছে, ব্যাংক খেয়েছে ।এখন বাংলাদেশ ব্যাংকও খাচ্ছে।

বিএনপির এ নেতা বলেন, এদেশের মানুষ আর এখন ভয় পায় না। তারা দুর্নীতির বিরুদ্ধে কথা বলা শুরু করেছে। আওয়ামী লীগ বইয়ে লেখেন সমাজতন্ত্র কায়েম করবেন আর চর্চা করেন মুক্তবাজার অর্থনীতি প্রকাশ্যে। বইতে লিখে রাখবেন রাষ্ট্র ধর্ম ইসলাম, চর্চা করবেন ধর্মনিরপেক্ষতা। এগুলো আপনাদের তামাশা।

ডা এজেডএম জাহিদ হোসেন বলেন, সাগর রুনি হত্যার পর ৫০ জন সাংবাদিক কে হত্যার করা হয়েছে। আমার দেশ পত্রিকার সম্পাদক মাহমুদুর রহমান কে মামলা দিয়ে দেশের বাহিরে থাকতে বাধ্য করেছে সরকার। এই আওয়ামী লীগ একেক বার একেক চেতনার কথা বলে। কখনো বলে ভাষার চেতনার কথা, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা কথা। আওয়ামী লীগ আইনের শাসনের কথা বলেলেও তারা তাতে বিশ্বাসী না। আমরা এ সমাবেশে যারা বসে আছি। কেউ নিরাপদ না। যেমন নিরাপদ ছিলেন না কাউন্সিলর চৌধুরী আলম, ইলিয়াস আলী, মাহমুদুর রহমান, আমার দেশ। মিডিয়ার উদ্দেশ্য তিনি বলেন, যদি সত্য প্রকাশ করেন । তবেই আপনাদের পাশে জনগণ থাকবে। কারণ কে কখন বন্ধ হয় , সে বিষয়ে কেউ জানে না। যেমন দিগন্ত টিভি, ইসলামিক টিভি এ সরকারের গ্রাসের মুখে পড়ে আজ বন্ধ।

পেশাজীবী পরিষদের সদস্য সচিব কাদের গণি চৌধুরীর সঞ্চালনায় ও আহব্বায়ক ডাক্তার জাহিদ হোসেনের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন বিএনপির চেয়াপারসনের বিশেষ সহকারী অ্যাডভোকেট শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস, বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যাপক ডা. সিরাজউদ্দিন আহমেদ, কবি আব্দুল হাই শিকদার, সাংবাদিক নেতা এম এ আজিজ, অধ্যাপক লুৎফর রহমান, অধ্যাপক গোলাম হাফিজ কেনেডি, যুব জাগপার সভাপতি মীর আমির হোসেন আমু প্রমুখ।

এমআই