জাতীয় পার্টির প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের অবর্তমানে পার্টির নতুন কমিটিতে তার সহধর্মিণী রওশন এরশাদকে প্রধান পৃষ্ঠপোষক হিসেবে রাখার সিদ্ধান্ত হলেও তাকে ছাড়াই দলের জাতীয় কাউন্সিল শুরু হয়েছে।
শনিবার (২৮ ডিসেম্বর) সকাল ১০টায় জাতীয় সঙ্গীতের মধ্য দিয়ে শুরু হয়েছে জাতীয় পার্টির কাউন্সিল। রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশের (আইইবি) সামনে আয়োজিত এ কাউন্সিলে নেতাকর্মীদের উপস্থিতিতে উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছে।
তবে সাড়ে ১১টা পর্যন্ত মঞ্চে আসেননি রওশন এরশাদ। এদিকে পার্টির প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের অবর্তমানে পার্টির নতুন কমিটিতে তার সহধর্মিণী রওশন এরশাদকে প্রধান পৃষ্ঠপোষক হিসেবে রাখার সিদ্ধান্ত হলেও তাকে ছাড়াই দলের জাতীয় কাউন্সিল শুরু হয়েছে। সাড়ে ১১টা পর্যন্ত মঞ্চে আসেননি রওশন এরশাদ।
কাউন্সিল ঘিরে রাজধানীসহ সারা দেশের নেতাকর্মীদের আগমনে মুখরিত ইঞ্জিনিয়ার্স ইন্সটিটিউশন। কাউন্সিলে ঢাকা জেলা জাতীয় পার্টি, জাতীয় মহিলা পার্টি, জাতীয় পার্টি ঢাকা মহানগর দক্ষিণ ও উত্তরের পাশাপাশি জাতীয় স্বেচ্ছাসেবক পার্টি, জাতীয় যুব সংহতি, জাতীয় শ্রমিক পার্টি, জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা পার্টি, জাতীয় ছাত্রসমাজসহ দলটির অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা স্লোগানে স্লোগানে মুখরিত হচ্ছে কাউন্সিল।
আইইবি চত্বর থেকে মৎস্য ভবন, প্রেস ক্লাব, পশ্চিমে শাহবাগ পর্যন্ত বিভিন্ন রঙের ব্যানার ফেস্টুনে সাজিয়ে তোলা হয়েছে। নেতাকর্মীদের চাপ সামলাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে আইনশৃঙ্খলার দায়িত্বে থাকা নেতাকর্মীদের। সমাবেশস্থল পূর্ণ হয়ে সড়কে গিয়ে ঠেকেছে নেতাকর্মীদের ভিড়।
এখনো খ- খ- মিছিল আসছে। মঞ্চে আসন নিয়েছেন পার্টির চেয়ারম্যান জিএম কাদের, মহাসচিব মসিউর রহমান রাঙ্গাসহ প্রেসিডিয়াম সদস্য ও সংসদ সদস্যবৃন্দ।
বিদায়ী কমিটির সাংগঠনিক রিপোর্ট পেশ, গঠনতন্ত্র অনুমোদন ও বিদায়ী কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবে জিএম কাদেরের বক্তব্যের মধ্য দিয়ে প্রথম অধিবেশনের সমাপ্তি ঘটবে। দুপুরে দ্বিতীয় অধিবেশন অনুষ্ঠিত হবে। সেখানে দলের নেতৃত্ব নির্বাচন হবে।
গঠিত হবে আগামী তিন বছরের জন্য জাতীয় পার্টির নতুন কমিটি। কাউন্সিলে সারাদেশ থেকে আট হাজার ডেলিগেট যোগ দেয়ার কথা রয়েছে।
সম্মেলনে যোগ দিতে রাতেই অধিকাংশ ডেলিগেট ঢাকায় চলে এসেছেন। বাকিরা সকালে এসেছেন। ডেলিগেট ছাড়াও সারাদেশ থেকে নেতাকর্মীরা এসেছেন সম্মেলনে।
প্রেসিডিয়াম সদস্যদের মধ্যে উপস্থিত রয়েছেন- ব্যারিস্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদ, এবিএম রুহুল আমিন হাওলাদার, গোলাম কিবরিয়া টিপু, অ্যাড. শেখ মুহাম্মদ সিরাজুল ইসলাম, ফখরুল ইমাম, কাজী ফিরোজ রশীদ, জিয়া উদ্দিন আহমেদ বাবলু, মো. আবুল কাশেম, অধ্যাপক দেলোয়ার হোসেন খান, সৈয়দ আবু হোসেন বাবলা, হাফিজ উদ্দিন আহমেদ, আলহাজ সাহিদুর রহমান, মুজিবুল হক চুন্নু, সালমা ইসলাম, সৈয়দ মোহাম্মদ আবদুল মান্নান, মীর আবদুস সবুর আসুদ, হাজী সাইফুদ্দিন আহমেদ মিলন, এ. টি. ইউ. তাজ রহমান, সোলায়মান আলম শেঠ, নাসরিন জাহান রতনা, আবদুর রশীদ সরকার, মেজর (অব.) খালেদ আখতার, মুজিবর রহমান সেন্টু, আলহাজ সফিকুল ইসলাম সেন্টু, লে. জেনারেল (অব.) মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী, মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তফা, ফখরুজ্জামান জাহাঙ্গীর, মো. মিজানুর রহমান, অ্যাড. রেজাউল ইসলাম ভূঁইয়া, সৈয়দ দিদার বখত, নাজমা আখতার, আবদুস সাত্তার মিয়া, এমরান হোসেন মিয়া, মেজর (অব.) রানা মোহাম্মদ সোহেল এমপি, লিয়াকত হোসেন খোকা এমপি, সেলিম ওসমান প্রমুখ।





