বিগত কয়েক বছরে হজযাত্রী বেড়ে যাওয়ার কোন সংবাদ আমাদের জানা নেই। কিন্তু এবার হঠাৎ এত যাত্রী বেড়ে যাওয়ার যৌক্তিক কারণ আমাদের বোধগম্য নয় বলে মন্তব্য করেছেন ক্ষতিগ্রস্ত হজ এজেন্সিসমূহের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল কাদের মোল্লা।
রবিবার জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে ক্ষতিগ্রস্থ হজ্জ এজেন্সি সমূহ আয়োজিত এক মানববন্ধনে তিনি এ মন্তব্য করেন।
কাদের মোল্লা বলেন, ‘এখানে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে প্রকৃত হজযাত্রীদের হজ্জে যাওয়া থেকে বাধা প্রদান করা হচ্ছে।’
কৃত্রিম সংকট তৈরি করে প্রকৃত হজ্জযাত্রীদের হজ্জে যাওয়ার ক্ষেত্রে বাধা সৃষ্টি করা হচ্ছে অভিযোগ করে এ সংকট নিরসনের জন্য সরকারের হস্তক্ষেপ কামনা করে নতুন কর্মসূচি ও ঘোষণা করেছে ‘ক্ষতিগ্রস্ত হজ এজেন্সিসমূহ’।
৪ জুন বৃহস্পতিবার সকাল থেকে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে এহরামের কাপড় পরে অবস্থান কর্মসূচি পালনের ঘোষণা দিয়েছে সংগঠনটি।
কাদের মোল্লা বলেন, ‘ইতিপূর্বে আরও কয়েকটি কর্মসূচি দিয়ে আশা করেছিলাম বঞ্চিত হজযাত্রীদের ব্যাপারে সরকার ইতিবাচক সিদ্ধান্ত নিবে। কিন্তু আমরা হতাশ হয়ে এই অবস্থা থেকে পরিত্রাণের জন্য সরকারের হস্তক্ষেপ কামনা করে নতুন কর্মসূচি দিতে বাধ্য হচ্ছি।’
তিনি বলেন, ‘২০১৫ সালে বাংলাদেশ থেকে সরকারিভাবে ১০ হাজার, আর বেসরকারিভাবে ৯১ হাজার ৭৫৮ জন হজ্জযাত্রী হজ্জ পালন করতে পারবে। আমাদেরকে জানানো হয়, প্রথমে ফি দিতে হবে এবং পরে রেজিস্ট্রেশন করতে হবে। কিন্তু ১৯ ফেব্রুয়ারি আমাদের জানানো হয়, ২১ জানুয়ারি থেকে রেজিস্ট্রেশন শুরু হয়েছে, যারা আগে রেজিস্ট্রেশন করবে তারাই হজ্জে যেতে পারবে। বেসরকারিভাবে কোটা পূর্ণ হয়ে গেলে অটোমেটিক সিস্টেম বন্ধ হয়ে যাবে।’
তিনি বলেন, ‘এরপর ২০-২১ ফেব্রুয়ারি শুক্র ও শনিবার ২১ ফেব্রুয়ারি সরকারি ছুটি থাকায় ২২ ফেব্রুয়ারি এজেন্সির মালিকরা অফিসে এসে দেখেন রেজিস্ট্রেশন সিস্টেম বন্ধ হয়ে গেছে। এর ফলে ৫০০ এজেন্সির ৩০ হাজার হজযাত্রীর রেজিস্ট্রেশন করা যায়নি। ১ মার্চ রেজিস্ট্রেশন ফি জমা দেয়ার শেষ দিন ছিলো।’
মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন- মাওলানা ফজলুর রহমান, মাওলানা শফিক উদ্দিন সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্ধ।
এমএ





