২০ দলীয় জোটনেতা ও জাগপা সভাপতি শফিউল আলম প্রধান বলেছেন, পুলিশকে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার হাতিয়ার বানানোর কারণেই দেশ আজ বেপরোয়া পুলিশী নির্যাতন ও নৃশংসতার শিকার।
শেখ হাসিনার সরকার যেভাবে পুলিশ বাহিনীকে বিরোধীদল দমনের অবাধ লাইসেন্স দিয়েছে এমন নজির উপমহাদেশের ইতিহাসে নাই। এমনকি বৃটিশ ও পাকিস্তানীরাও এমন বেআইনীভাবে বিরোধী নেতাকর্মীদের গুম-খুন ও বানোয়াট মামলা দেবার এখতিয়ার দেয় নাই। যে অধিকারবলে জঘন্য অপরাধ করেও পুলিশ বলে মাছের রাজা ইলিশ-দেশের রাজা পুলিশ।
পুলিশ সদস্যরাতো আমার দেশেরই সন্তান। তাদের ঘাতক বানালো কারা? অপরাধী পুলিশের বিচার চাই-সাজা চাই। তবে নেপথ্যে ক্ষমতাসীন গডফাদারদের আইনের কাঠগড়ায় না দাঁড় করানো হলে রোজ কেয়ামত পর্যন্ত এই জুলুম থামবে না।
আজ বিকাল ৩ টায় আসাদ গেট দলীয় কার্যালয়ে জাগপা নির্বাহী কমিটির সাধারণ সভায় সভাপতির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, পুলিশের নিয়োগ, বদলী ও পদোন্নতির ক্ষেত্রে দলীয় বিবেচনা ও বিশেষ অঞ্চলকে প্রাধান্য দেয়া হলে আইন থাকবে তবে শাসন ও শৃঙ্খলা থাকবে না। মেধাবী, সৎ ও যোগ্য তরুণরা চাকরি পাবে না। সর্বত্র আওয়ামী পছন্দ খুঁজবেন। এ পথে লাঠিয়াল বানানো যায় তবে পুলিশ বাহিনী বানানো যায় না।
সভায় জাগপা সাধারণ সম্পাদক বীরমুক্তিযোদ্ধা খোন্দকার লুৎফর রহমানের পরিচালনায় সভায় বক্তব্য রাখেন পার্টির কেন্দ্রীয় নেতা খন্দকার আবিদুর রহমান, মহিউদ্দিন বাবলু, আবু মোজাফফর মোঃ আনাছ, আমির হোসেন মন্ডল, মাস্টার এম.এ মান্নান, আসাদুর রহমান আসাদ, এড. মজিবুর রহমান, সৈয়দ শফিকুল ইসলাম শফিক, হাফিজুর রহমান, শাহজাহান খোকন, শেখ শহীদুল ইসলাম, দেওয়ান রোকনউদ্দিন হাজারী, প্রিন্সিপাল হুমায়ুন কবির, সানাউল্লাহ সানু, ইনসান আলম আক্কাছ, রফিকুল আলম শিকদার, গোলাম মোস্তফা কামাল ও মানিক সরকার।
প্রধান ৭ দিনের রাজশাহী ও রংপুর বিভাগীয় সফরে আগামীকাল বগুড়ায় জাগপা আয়োজিত সমাবেশে বক্তব্য রাখবেন।
এমএম





