বিএনপির আন্দোলনে বাধা না দিয়ে আওয়ামী লীগকে রাজপথে আসার আহবান জানিয়ে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও ঢাকা মহানগর বিএনপির আহবায়ক মির্জা আব্বাস বলেন, রাজপথ কারো পৈত্রিক সম্পত্তি নয়। আমরা রাজপথে নামবই।
রবিবার বিকালে রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ারিং ইন্সটিটিউট মিলনায়তনে জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দল আয়োজিত মুক্তিযোদ্ধা সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।
বিএনপির পাশাপাশি আওয়ামী লীগকে রাজপথে নামার চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়ে মির্জা আব্বাস বলেন, আমাদের আন্দোলনে বাধা না দিয়ে রাজপথে আসুন আন্দোলন করুন। আমরা কোন সংঘর্ষে যেতে চাই না।
আমাদের সমাবেশের জন্য ঢাকার যেকোন স্থানে অনুমতি দেন, আর ঢাকার একপাশে আপনারাও নামবেন, আমরাও নামবো। যদি আপনাদের তুলনায় আমাদের লোক সমাগম বেশি না হয় তাহলে আর আন্দোলন করবোনা।
সরকারের প্রতি হুশিয়ারি উচ্চারণ করে মির্জা আব্বাস বলেন, আপনারা আন্দোলন করলে কোন সমস্যা নাই আর আমরা মাঠে নামলেই পুলিশ দিয়ে বাধা দিবেন, গুলি করবেন এটা হতে পারেনা। আমরা আজীবন গুলি খেয়েই যাবে এটা হতে পারেনা।
জিয়া পরিবারের বিরুদ্ধে কটুক্তি আর সহ্য করা হবেনা উল্লেখ করে তিনি বলেন, জনগণ এর প্রতিরোধ গড়ে তুলবেই। কারণ আল্লাহও সীমালংঘনকারীদের পছন্দ করেনা।
আওয়ামী লীগকে শরণার্থী মুক্তিযোদ্ধা আখ্যা দিয়ে মির্জা আব্বাস বলেন, দেশে বর্তমানে দুই ধরণের মুক্তিযোদ্ধা দেখা যায়। একটা হলো শরণার্থী মুক্তিযোদ্ধা যারা ৭১এ সীমান্ত পারি দিয়ে ভারতের শরণার্থী হয়েছিলেন। আর এক পক্ষ হচ্ছে রণাঙ্গণের মুক্তিযোদ্ধা। আজকে এখানে যারা উপস্থিত আছেন তারা সম্মুখ সমরের মুক্তিযোদ্ধা।
মুক্তিযোদ্ধা দলের সভাপতি ইশতিয়াক আজিজ উলফাতের সভাপতিত্বে সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি-এলডিপির চেয়ারম্যান কর্ণেল (অব.) অলি আহমদ, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, ভাইস চেয়ারম্যান মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ, আব্দুল্লাহ আল নোমান, শমসের মবিন চৌধুরী, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ব্যারিষ্টার শাহজাহান ওমর, গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের ট্রাস্টি প্রতিষ্ঠাতা ডা. জাফর উল্লাহ চৌধূরী, কল্যাণ পার্টির চেয়ারম্যান মেজর (অব.) সৈয়দ মুহামম্দ ইব্রাহিম, বিএনপির প্রচার বিষয়ক সম্পাদক জয়নুল আবদিন ফারুক, অর্থনীতি বিষয়ক সম্পাদক আব্দুস সালাম, জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দলের সাধারণ সম্পাদক শফিউজ্জামান খোকন, মুক্তিযোদ্ধা সাদেক খান প্রমুখ।
এছাড়া আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন-ঝালুকাঠি থেকে বীর মুক্তিযোদ্ধা আবু সিদ্দিক, ঢাকা থেকে আব্দুর রাজ্জাক, নারায়ণগঞ্জ থেকে নূর হোসেন, ফরিদপুর থেকে শাহজাদা মিয়া, কুষ্টিয়া থেকে বাবুল আহমেদ, মাদারিপুর থেকে জাহাঙ্গীর হোসেন, বগুড়া থেকে আব্দুল কাদের, রংপুর থেকে মোজাফ্ফর হোসেন, চট্টগ্রাম থেকে কামাল উদ্দীন, টাঙ্গাইল থেকে শরিফুল ইসলাম শাজাহান, গাজীপুর থেকে আলী আকবর, রাজশাহী থেকে নূর হামিদ রিজভী বীর প্রতীক, মুঞ্চিগঞ্জ থেকে মীর মোশাররফ হোসেন, চট্টগ্রাম মহানগর থেকে শাহবুদ্দিন আহমেদ, দিনাজপুর থেকে সৈয়দ শাহাদাৎ হোসেন মানিক, শরিয়তপুর থেকে শহীদ পারভেজ ও শেরপুর থেকে ফরিদুর রহমান ফরিদ, ঢাকার চৌধুরী আবু তালেব প্রমুখ।
এমএইচ/এসএইচ





